পাকিস্তানের একটি প্রতিনিধিদল তেহরানে পৌঁছানোর পর ধারণা করা হচ্ছে, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের সঙ্গে দ্বিতীয় দফা যুদ্ধবিরতি আলোচনায় যেতে পারে। পাকিস্তানে ২০ ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে চলা আলোচনা কোনো সমাধান ছাড়াই শেষ হলেও দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি এখনো কার্যকর রয়েছে। এর মধ্যেই প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হরমুজ প্রণালি অবরোধের প্রস্তাব দেন, যা আন্তর্জাতিক তেল বাণিজ্যের জন্য গুরুত্বপূর্ণ জলপথ।
প্রতিবেদনে চারটি সম্ভাব্য দৃশ্যপট তুলে ধরা হয়েছে— ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতি, সীমিত সংঘাত বা ‘ছায়া যুদ্ধ’, নীরব কূটনীতি অব্যাহত থাকা এবং দীর্ঘস্থায়ী নৌ অবরোধ। বিশ্লেষকদের মতে, পারস্পরিক অবিশ্বাস, যুদ্ধবিরতির শর্ত নিয়ে মতপার্থক্য এবং ইসরায়েলের সম্ভাব্য ভূমিকা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে।
বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, অঞ্চলটি এখন এমন এক ‘গ্রে-জোনে’ প্রবেশ করেছে যেখানে যুদ্ধ ও কূটনীতি পাশাপাশি চলছে। দুই দেশই সামরিক চাপ বজায় রেখে আংশিকভাবে কূটনৈতিক পথ খোলা রাখছে, ফলে সংঘাতের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।