Web Analytics
চট্টগ্রামে গ্যাস সংকট আবার তীব্র হয়েছে; কর্ণফুলী গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডের হিসাবে অঞ্চলটি চাহিদার ৫৪ দশমিক ২৯ শতাংশ গ্যাস পাচ্ছে, অর্থাৎ ঘাটতি ৪৫ দশমিক ৭১ শতাংশ। ১৩ আগস্ট প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, জাতীয় গ্রিড থেকে দৈনিক ২৪৬ মিলিয়ন ঘনফুট বরাদ্দ থাকলেও বর্তমানে পাওয়া যাচ্ছে ১৯০ মিলিয়ন ঘনফুট। এতে বাসাবাড়ির রান্না, সিএনজি স্টেশন এবং গ্যাসনির্ভর বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে; লোডশেডিংও বেড়েছে।

গ্যাসসংশ্লিষ্টদের মতে, চট্টগ্রামের সরবরাহ মহেশখালীর ভাসমান এলএনজি টার্মিনালের ওপর নির্ভরশীল। ২১ জুলাই এক্সিলারেট এনার্জির টার্মিনালে অগ্নি-দুর্ঘটনার পর সংকট শুরু হয়। প্রায় দুই সপ্তাহ বন্ধ থাকার পর ৬ আগস্ট একটি বয়লার আংশিক চালু হলেও ক্ষতিগ্রস্ত বৈদ্যুতিক নিয়ন্ত্রণ ও ইন্সট্রুমেন্ট ব্যবস্থা মেরামত এবং যন্ত্রাংশ প্রতিস্থাপন এখনও চলছে।

সংকটে রড, পোশাক, জাহাজভাঙা ও স্টিল স্ট্রাকচার কারখানার উৎপাদন ৪০ শতাংশে নেমেছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। একাধিক ২১০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন ইউনিট বন্ধ রয়েছে। বিএসআরএম জানিয়েছে, বুধবার থেকে তাদের কারখানা পুরোপুরি বন্ধ এবং ২০ দিন ধরে তারা কাঙ্ক্ষিত হারে গ্যাস পাচ্ছে না। সিএনজি স্টেশনগুলোতে দীর্ঘ সারি দেখা গেছে; চাপ কমলে কিছু স্টেশন সরবরাহ বন্ধ রাখছে।

Card image

Related Videos

logo
No data found yet!

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।