যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে প্রথম সরাসরি আলোচনার আয়োজন করে মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকায় উঠে এসেছে পাকিস্তান। ইসলামাবাদে অনুষ্ঠিত এই আলোচনা এমন এক যুদ্ধের অবসান ঘটাতে কাজ করছে, যেখানে হাজার হাজার মানুষ নিহত হয়েছে। নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তার জন্য পরিচিত একটি দেশের জন্য এটি এক বিস্ময়কর পরিবর্তন। ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রথম মেয়াদের পর থেকে ওয়াশিংটনের সঙ্গে পাকিস্তানের সম্পর্কের এই পরিবর্তন বিশেষভাবে লক্ষণীয়।
মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স, বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ এবং ট্রাম্পের জামাতা জ্যারেড কুশনার আলোচনায় অংশ নিতে ইসলামাবাদে পৌঁছেছেন। ২০১১ সালের পর ভ্যান্সই পাকিস্তান সফরকারী সর্বোচ্চ পদমর্যাদার মার্কিন কর্মকর্তা। বিশ্লেষকেরা বলছেন, ভৌগোলিক প্রয়োজন, দক্ষ কূটনীতি ও আঞ্চলিক জোটের পরিবর্তন পাকিস্তানকে অপরিহার্য মধ্যস্থতাকারীতে পরিণত করেছে।
আলোচনায় ইরানের সম্পদ ও লেবাননে যুদ্ধবিরতি নিয়ে জটিলতা দেখা দিয়েছে। আলোচনার আগে তেহরান কঠোর বার্তা দিয়েছে এবং জাতিসংঘ মহাসচিব উভয় পক্ষকে সংলাপে আহ্বান জানিয়েছেন।