চট্টগ্রামের শিল্পাঞ্চল সীতাকুণ্ড উপজেলার মুরাদপুর ইউনিয়নে হত্যা, মাদক ব্যবসা, কিশোর গ্যাংয়ের তৎপরতা, অস্ত্রের মহড়া ও ককটেল বিস্ফোরণের অভিযোগে জননিরাপত্তাহীনতা বেড়েছে বলে স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন। ২৮ জুলাই প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, রাজনৈতিক বিরোধ, আধিপত্য বিস্তার, ব্যক্তিগত দ্বন্দ্ব ও মাদক সিন্ডিকেটের অভ্যন্তরীণ সংঘাতকে কেন্দ্র করে আবুল কালাম, এনামুল করিম সজিব, কোরবান আলী, মুমিনুল হক, রাসেল ও মুসলিম উদ্দিনসহ কয়েকজন পৃথক হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছেন।
স্থানীয়দের অভিযোগ, এসব ঘটনায় মামলা ও কিছু মামলায় অভিযোগপত্র দাখিল হলেও একাধিক হত্যা মামলার প্রধান আসামি গ্রেপ্তারের বাইরে রয়েছেন। ইয়াবা কারবারি হিসেবে পরিচিত ইরান ও তার অনুসারীদের বিরুদ্ধে শামীম এবং কিশোর নাঈম হত্যার অভিযোগ ঘিরে সম্প্রতি উত্তেজনা বাড়ে। নাঈমের মৃত্যুর খবরের পর কিশোর গ্যাং ককটেল বিস্ফোরণ ও ভয়ভীতি প্রদর্শন করে বলে অভিযোগ। ২৫ জুলাই গভীর রাতে ক্ষুব্ধ জনতা ইরানকে পিটিয়ে হত্যা করে এবং তার বাড়িতে আগুন দেয়।
বাসিন্দারা সন্ধ্যার পর চলাচলে ভয়, স্বাভাবিক জীবন ব্যাহত হওয়া এবং নিরাপত্তার কারণে পরিবারগুলোর এলাকা ছাড়ার কথা জানিয়েছেন। পুলিশ বলেছে, আসামিদের গ্রেপ্তার ও মাদকবিরোধী অভিযান চলছে এবং পলাতকদের ধরতে বিশেষ দল কাজ করছে। উপজেলা প্রশাসন অতিরিক্ত টহল, সার্বক্ষণিক নজরদারি ও আইনগত ব্যবস্থার আশ্বাস দিয়েছে।