ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে যাত্রী হয়রানি, লাগেজ বিলম্ব, অব্যবস্থাপনা ও বিভিন্ন সংস্থার অসদাচরণের অভিযোগ উঠেছে। চীন থেকে ফেরা ব্যবসায়ী নাঈমুল ইসলাম বলেন, অন্য এক যাত্রীর সঙ্গে কাস্টমসের আচরণের প্রতিবাদ করায় তাকে ৩৬ হাজার টাকা জরিমানা করা হয় এবং তার ৪০ হাজার টাকা দামের লাগেজ আটকে রাখা হয়। তিনি সিটি করপোরেশনের জন্য নমুনা হিসেবে একটি ভাঁজ করা ওয়াটার স্টোরেজ ব্যাগ এনেছিলেন বলে জানান।
প্রতিবেদনে ট্রলির সংকট, বসার জায়গার অভাব, লাগেজ পেতে বিলম্ব, লাগেজ ক্ষতি ও চুরির অভিযোগ, ফ্লাইট বিলম্ব, ইমিগ্রেশনে অযাচিত জিজ্ঞাসাবাদ এবং তল্লাশির অভিযোগ তুলে ধরা হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র থেকে মাসে অন্তত দুবার ঢাকায় আসা এক দ্বৈত নাগরিক হয়রানির ভয়ে চেকড লাগেজ আনেন না বলে জানান। এয়ারলাইনস অপারেটরস কমিটির এক কর্মকর্তা অভিযোগ করেন, গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিংয়ের কারণে ফ্লাইট ও ব্যাগেজ সরবরাহে বিলম্ব হয়।
সংশ্লিষ্টরা জানান, বিমানবন্দরে দৈনিক ১১০ থেকে ১১৫টি ফ্লাইটে প্রায় ২০ হাজার যাত্রী চলাচল করেন, কিন্তু জনবল ও সরঞ্জাম যথেষ্ট নয়। জুলাই ২০২৩ থেকে জানুয়ারি ২০২৫ পর্যন্ত ২০ হাজারের বেশি অভিযোগ ও জিজ্ঞাসা জমা পড়ে। এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, প্রায় ২৬টি সংস্থার পৃথক নিয়ন্ত্রণে সমন্বয় কঠিন। বেসামরিক বিমান পরিবহনমন্ত্রী সেবা উন্নয়নে সরকারের অঙ্গীকারের কথা বলেন এবং বর্তমানে ট্রলি সংকট ও যাত্রী হয়রানির অভিযোগ অস্বীকার করেন।