জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি, জ্বালানির সংকট ও সরকারি ব্যয় কমানোর পরিকল্পনাবিরোধী বিক্ষোভে ভাঙচুরের ঘটনায় অপ্রাপ্তবয়স্কদের অভিভাবকদের আর্থিক দায় বাড়াতে পদক্ষেপ নিচ্ছে ফ্রান্স ও ইতালি। ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনির সরকার মঙ্গলবার একগুচ্ছ ব্যবস্থা অনুমোদন করেছে। ফ্রান্সে একই ধরনের একটি খসড়া আইন নিয়ে ২৭ অক্টোবর সরকারি আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে।
ফ্রান্সে বিদ্যালয় ভবনের বেহাল অবস্থা, শিক্ষকসংকট ও প্রস্তাবিত বাজেটের বিরুদ্ধে উচ্চবিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের আন্দোলন শুরু হয়। পরে বেতন স্থগিতের প্রতিবাদে সরকারি খাতের কর্মী এবং জীবনযাত্রার ব্যয় ও জ্বালানির দাম নিয়ে ক্ষুব্ধ মানুষ এতে যোগ দেন। কিছু কর্মসূচি দাঙ্গা, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগে রূপ নেয়। ইতালির মিলান, বোলোনিয়া ও তুরিনেও দাঙ্গার খবর পাওয়া গেছে, তবে ক্ষয়ক্ষতির সরকারি হিসাব প্রকাশ হয়নি।
ইতালির নতুন ব্যবস্থায় বছরের শেষ পর্যন্ত মিলানে ৫০০ সেনা মোতায়েনের কথা রয়েছে এবং ভাঙচুরে জড়িত সন্তানের জন্য অভিভাবকদের দায় কঠোর করা হয়েছে। ফ্রান্সে আগে থেকেই অপ্রাপ্তবয়স্ক সন্তানের ক্ষতির জন্য অভিভাবকদের দেওয়ানি দায় আছে। প্রস্তাবিত আইনে ভাঙচুরকারীদের সর্বোচ্চ ১০ হাজার ইউরো ক্ষতিপূরণ দিতে হতে পারে এবং দলগত দেওয়ানি দায়ও বিবেচনায় রয়েছে।