জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও ছাত্রদল নেতা জোবায়েদ হোসাইন হত্যা মামলায় তিনজনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দিয়েছে পুলিশ। আসামিরা হলেন জোবায়েদের ছাত্রী ও প্রেমিকা বার্জিস শাবনাম বর্ষা, বর্ষার প্রেমিক মাহির রহমান এবং মাহিরের বন্ধু ফারদীন আহম্মেদ আয়লান। তদন্তে জানা গেছে, মাহির ছিলেন মূল হামলাকারী, বর্ষা হত্যার পরিকল্পনাকারী এবং আয়লান সহযোগী। বংশাল থানার উপপরিদর্শক মো. আশরাফ হোসেন নয় মাসের তদন্ত শেষে ঢাকার আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন।
অভিযোগপত্রে বলা হয়, গত বছরের ১৯ অক্টোবর পুরান ঢাকার আরমানিটোলার একটি বাসায় পড়াতে গিয়ে খুন হন জোবায়েদ। তাঁকে নিচতলায় ছুরিকাঘাত করা হয় এবং পরে রক্তাক্ত অবস্থায় সিঁড়িতে পড়ে থাকতে দেখা যায়। তদন্তে উঠে আসে, এটি তাৎক্ষণিক নয় বরং এক মাসের পরিকল্পনা ও নজরদারির পর সংঘটিত হত্যাকাণ্ড। বর্ষা ও জোবায়েদের সম্পর্কের অন্তরঙ্গ ছবি ও ভিডিও ফাঁস হওয়ার আশঙ্কা থেকেই হত্যার পরিকল্পনা করা হয়।
বাদীপক্ষের আইনজীবী জানান, অভিযোগপত্রে মাহির ডিএনএ রিপোর্ট মিলেছে এবং তাঁর ১৬৪ ধারার জবানবন্দিও সংযুক্ত আছে। অভিযোগপত্রটি বর্তমানে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের পর্যালোচনায় রয়েছে এবং শিগগিরই আদালতে উপস্থাপন করা হবে।