সুইজারল্যান্ডের নাগরিকেরা আজ রোববার দুটি গুরুত্বপূর্ণ ও বিতর্কিত বিষয়ে গণভোটে অংশ নিচ্ছেন। একটি প্রস্তাবে ২০৫০ সালের মধ্যে দেশটির জনসংখ্যা ১ কোটির নিচে রাখার লক্ষ্যে অভিবাসন সীমিত করার কথা বলা হয়েছে, অন্যটি সামরিক সেবার বিকল্প হিসেবে বেসামরিক সেবায় যোগদানের সুযোগ কঠোর করার উদ্যোগ। সুইজারল্যান্ডের প্রত্যক্ষ গণতন্ত্র ব্যবস্থার আওতায় অনুষ্ঠিত এই ভোটে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের সম্ভাবনা রয়েছে। অধিকাংশ ভোটার ডাকযোগে ভোট দিয়েছেন, এবং প্রথম ফলাফল বিকেলের মধ্যে জানা যেতে পারে।
কট্টর ডানপন্থি সুইস পিপলস পার্টি (এসভিপি) প্রস্তাবটি উত্থাপন করেছে, তাদের দাবি অতিরিক্ত অভিবাসনের কারণে আবাসন সংকট, বাড়িভাড়া বৃদ্ধি, ট্রেনে ভিড় ও যানজটের মতো সমস্যা তৈরি হয়েছে। তবে সমালোচকরা সতর্ক করেছেন, প্রস্তাবটি অনুমোদিত হলে অর্থনীতি ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে সম্পর্কের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে। বিচারমন্ত্রী বিট ইয়ান্স বলেছেন, এই ভোট অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং ফলাফল সুইজারল্যান্ডের জন্য ‘ব্রেক্সিট’-সদৃশ পরিস্থিতি তৈরি করতে পারে।
সাম্প্রতিক জরিপে দেখা গেছে, প্রস্তাবটির বিরোধীরা সামান্য এগিয়ে রয়েছে। তবে এটি পাস হতে হলে শুধু সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোট নয়, ২৬টি ক্যান্টনের অন্তত অর্ধেকের সমর্থনও প্রয়োজন।