মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প স্টিভ উইটকফ ও জ্যারেড কুশনারকে পাকিস্তানে পাঠিয়েছেন, যেখানে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি পৌঁছেছেন। এই পদক্ষেপে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল যুদ্ধের অবসান নিয়ে নতুন আলোচনার আশা জেগেছে। হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র ক্যারোলিন লেভিট জানান, মার্কিন দূতরা আরাঘচির সঙ্গে বৈঠক করতে পারেন, যদিও ইরান আনুষ্ঠানিকভাবে এতে সম্মতি দিয়েছে কি না তা স্পষ্ট নয়। ট্রাম্প সম্ভাব্য চুক্তি নিয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন এবং প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ বলেছেন, ইরানের এখনো “ভালো চুক্তি” করার সুযোগ রয়েছে।
রয়টার্সের বরাতে পাকিস্তানি সূত্র জানিয়েছে, আরাঘচির সফর সংক্ষিপ্ত হবে এবং এতে ইরানের প্রস্তাবগুলো পাকিস্তানের মাধ্যমে ওয়াশিংটনে পৌঁছানো হবে। তবে আল জাজিরা জানিয়েছে, এক জ্যেষ্ঠ ইরানি কর্মকর্তা পাকিস্তানে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সরাসরি আলোচনার সম্ভাবনা নাকচ করেছেন। ইরানি সংসদ স্পিকার মোহাম্মদ বাকের গালিবাফের পদত্যাগের খবর অস্বীকার করেছে এবং জানিয়েছে, নতুন কোনো আলোচনার তারিখ নির্ধারিত হয়নি।
ট্রাম্প আলোচনার সুযোগ বাড়াতে দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি বাড়িয়েছেন, যদিও ইরানি বন্দর অবরোধ অব্যাহত রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র শুক্রবার ইরানের ৩৪৪ মিলিয়ন ডলারের ক্রিপ্টোকারেন্সি সম্পদ জব্দ করে তেহরানের ওপর আর্থিক চাপ বাড়িয়েছে।