ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী কিয়ের স্টারমারের ওপর পদত্যাগের চাপ ক্রমেই বাড়ছে, কারণ তিনি নিজের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে ভাবছেন। মন্ত্রিসভার সদস্য পিটার কাইল জানান, মেকারফিল্ড উপনির্বাচনে অ্যান্ডি বার্নহামের জয়ের পর স্টারমার বর্তমান ‘রাজনৈতিক বাস্তবতা’ বিবেচনা করছেন। ওই জয়ের পর লেবার পার্টির ভেতরে নেতৃত্ব পরিবর্তনের আহ্বান জোরালো হয়েছে। সিনিয়র মন্ত্রী ও বহু এমপি স্টারমারকে পদত্যাগের সময়সূচি ঘোষণা করতে বলেছেন, যাতে বার্নহামের জন্য নেতৃত্বের পথ উন্মুক্ত হয়।
এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প স্টারমারের অভিবাসন ও জ্বালানি নীতির সমালোচনা করে তাঁর পদত্যাগের পূর্বাভাস দিয়েছেন। তবে স্টারমার ঘোষণা করেছেন যে তিনি যেকোনো আনুষ্ঠানিক নেতৃত্ব চ্যালেঞ্জের বিরুদ্ধে লড়বেন। পিটার কাইল বলেন, প্রধানমন্ত্রী পরিস্থিতি বিবেচনা করে দেশের স্বার্থে সিদ্ধান্ত নেবেন। অন্যদিকে কিছু লেবার এমপি সতর্ক করেছেন যে, নেতৃত্ব পরিবর্তন রাজনৈতিক অস্থিরতা বাড়াতে পারে।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, স্টারমার শিগগিরই পদত্যাগের সময়সূচি ঘোষণা করতে পারেন। সম্ভাব্য উত্তরসূরিদের মধ্যে অ্যান্ডি বার্নহাম ও ওয়েস স্ট্রিটিংয়ের নাম আলোচনায় রয়েছে।