এক-এগারোর সরকারের অন্যতম কুশীলব অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট জেনারেল মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী ও লেফটেন্যান্ট জেনারেল শেখ মামুন খালেদ রিমান্ডে পরস্পরবিরোধী ও বিভ্রান্তিকর তথ্য দিচ্ছেন। মিরপুর ডিওএইচএস থেকে গ্রেপ্তার মামুন খালেদ পাঁচ দিনের রিমান্ডে দাবি করেছেন, ২০০৭–০৮ সালের সময়ে তিনি তারেক রহমানের চিকিৎসার জন্য বিদেশে পাঠানোর ব্যবস্থা করেছিলেন। অন্যদিকে বারিধারা ডিওএইচএস থেকে আটক মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীও পাঁচ দিনের রিমান্ডে অন্য কর্মকর্তাদের ওপর দোষ চাপিয়ে বলেছেন, তিনি শুধু জিয়া পরিবারের উপকারের চেষ্টা করেছেন।
তদন্ত কর্মকর্তারা জানান, দুজনই নির্যাতন, দুর্নীতি ও রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রের অভিযোগে সরাসরি জবাব এড়িয়ে যাচ্ছেন। মাসুদ উদ্দিন অভিযোগ করেছেন, ডিজিএফআইয়ের তৎকালীন কর্মকর্তারা ‘মাইনাস টু ফর্মুলা’ বাস্তবায়ন করেছিলেন এবং ভারতের গোয়েন্দা সংস্থা ‘র’ ১/১১ সরকারের পরিকল্পনা করেছিল। মামুন খালেদের বিরুদ্ধে ডিজিএফআই প্রধান থাকাকালে গুম, নির্যাতন ও দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মাসুদ উদ্দিনের বিরুদ্ধে ঢাকা ও ফেনীতে হত্যা ও অর্থপাচারের মামলায় আরও রিমান্ডের আবেদন করা হতে পারে।