যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের সম্ভাব্য আলোচনায় মধ্যস্থতাকারী হিসেবে পাকিস্তানের ভূমিকা একই সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ ও ঝুঁকিপূর্ণ বলে মন্তব্য করেছেন সাউথ এশিয়ান স্ট্র্যাটেজিক স্ট্যাবিলিটি ইনস্টিটিউট ইউনিভার্সিটির চেয়ারপারসন মারিয়া সুলতান। ইসলামাবাদ থেকে আলজাজিরাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, পাকিস্তানের একদিকে সৌদি আরব ও উপসাগরীয় দেশগুলোর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে, অন্যদিকে ইরান তার প্রতিবেশী দেশ, যেখানে দীর্ঘমেয়াদি অস্থিরতা পাকিস্তান চায় না।
তিনি জানান, বৈশ্বিক শক্তিগুলোর নিষ্ক্রিয়তার প্রেক্ষাপটে পাকিস্তানই আলোচনার উদ্যোগ নেয়, কারণ ন্যাটো ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন এগিয়ে আসেনি এবং যুক্তরাষ্ট্র নিজেকে বিচ্ছিন্ন মনে করেছিল। বিভিন্ন সংস্কৃতি ও শক্তির সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রাখার কারণে পাকিস্তান এই আলোচনার জন্য উপযুক্ত অবস্থানে রয়েছে। সৌদি আরব ও চীনের সহযোগিতা এবং সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর আগ্রহ এই প্রক্রিয়াকে এগিয়ে নিতে সহায়তা করেছে।
বর্তমান পরিস্থিতি সম্পর্কে তিনি সতর্ক আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, পূর্ণমাত্রার যুদ্ধ শুরু হলে তা ভয়াবহ পরিণতি ডেকে আনতে পারে, তবে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলো যুদ্ধের বাস্তবতা উপলব্ধি করে শান্তির পথে এগোতে পারে।