Web Analytics
সোমালিয়ার উপকূলে জলদস্যুবিরোধী অভিযান জোরদার হওয়ায় পুন্টল্যান্ডের উপকূলীয় শহর বান্দের বেইলার জেলেদের জীবিকা ব্যাহত হয়েছে। জলদস্যুরা জেলে সেজে চলাফেরা করতে পারে—এমন আশঙ্কায় স্থানীয় কর্তৃপক্ষ আগস্টের শেষ সপ্তাহে জেলেদের সমুদ্রে যাওয়া বন্ধ করে দেয়। জেলেদের ভাষ্য, দুই মাসের জন্য নির্ধারিত এই নিষেধাজ্ঞা, গ্রেপ্তার এবং সামরিক নজরদারির কারণে জলদস্যুতার সঙ্গে সম্পৃক্ত না থাকা পরিবারগুলোকেও দুর্ভোগ পোহাতে হয়েছে।

জেলে আবদিফাতাহ মোহাম্মদ বলেন, মাছ কমে যাওয়া ও বিদেশি ট্রলারের কারণে আগে থেকেই পরিবারের ভরণপোষণ কঠিন ছিল। সমুদ্রে গেলে জলদস্যুতা বা ছিনতাই হওয়া জাহাজে রসদ সরবরাহের অভিযোগের ঝুঁকি রয়েছে বলে তিনি জানান। আবদিরিজাক সাঈদ বলেন, জলদস্যুদের খাবার বা খাত সরবরাহের অভিযোগে অনেককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং ব্যবসায়ীদের তাদের কাছে কিছু বিক্রি না করতে বলা হয়েছিল। গবেষক জেথ্রো নরম্যানের মতে, আত্মীয়তার নেটওয়ার্ক জলদস্যুদের অর্থ, সরঞ্জাম, লোকবল ও সুরক্ষা জোগাড়ে ভূমিকা রাখতে পারে।

স্থানীয় সরকারের দুই কর্মকর্তা জানান, তিনটি জাহাজ মুক্ত হওয়ার পর ১ অক্টোবর বিধিনিষেধ তুলে নেওয়া হয়। আইএমও ২ অক্টোবর জানায়, তিন জাহাজের ৪৪ নাবিক মুক্ত হয়েছেন; তবে অনার ২৫ উদ্ধারের সময় পাঁচ নাবিক নিহত হন। বিধিনিষেধ প্রত্যাহার হলেও বান্দের বেইলার আশপাশে নিরাপত্তা নজরদারি অব্যাহত রয়েছে।

Card image

Related Videos

logo
No data found yet!

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।