মঙ্গলবার উত্তর ২৪ পরগনার গাইঘাটা ও মুর্শিদাবাদের ধুলিয়ানে পুলিশের গুলিতে দুই অভিযুক্তের মৃত্যু পশ্চিমবঙ্গে অপরাধ দমনে তথাকথিত ‘এনকাউন্টার’ মডেল অনুসরণের বিতর্ক উসকে দিয়েছে। পুলিশের দাবি, হেফাজতে থাকা দুই অভিযুক্তকে ঘটনাস্থল পুনর্নির্মাণে নিয়ে গেলে তারা পুলিশকর্মীদের আগ্নেয়াস্ত্র ছিনিয়ে পালানোর চেষ্টা করেন, তিন রাউন্ড করে গুলি চালান এবং আত্মরক্ষার্থে পুলিশের পাল্টা গুলিতে নিহত হন।
ধুলিয়ানে নিহত সামাউল শেখ ব্যবসায়ী ও বিজেপি কর্মী সুজিত মণ্ডল হত্যা মামলার অভিযুক্ত ছিলেন। পুলিশ জানায়, তিনি ডিএসপিকে লক্ষ্য করে রিভলভার তাক করলে এক ইনস্পেক্টর গুলি করেন। তবে ঘটনাস্থলের কাছের কয়েকজন বাসিন্দা জানান, ভরদুপুরের ঘটনায় তারা গুলির শব্দ শোনেননি। গাইঘাটায় প্রহ্লাদ দাস ১৭ বছরের এক কিশোরীকে ধর্ষণ ও হত্যার অভিযোগে গ্রেপ্তার ছিলেন; পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, তার গুলিতে এক পুলিশকর্মী আহত হন।
মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী অপরাধীদের ছাড় না দেওয়ার কথা বলেছেন এবং পুলিশকে পরিস্থিতি বুঝে সিদ্ধান্ত নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। বিরোধী নেতা ও মানবাধিকার কর্মীরা ঘটনাগুলোর স্বচ্ছতা, পুলিশি ভূমিকা এবং বিচারবহির্ভূত হত্যার আশঙ্কা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।