২০২৬ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি প্রকাশিত মাহমুদুর রহমানের ‘আমার দেশ’-এর প্রতিবেদনে শরীফ ওসমান হাদির হত্যাকাণ্ডের অমীমাংসিত রহস্য তুলে ধরা হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, হত্যাকারীর পরিচয় জানা গেলেও মূল পরিকল্পনাকারী, সহায়ক দল ও উদ্দেশ্য এখনো অজানা। পুলিশ তদন্ত কতদূর এগিয়েছে তা নিয়েও অনিশ্চয়তা রয়েছে। লেখক হাদি হত্যায় ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থা ‘র’ ও তাদের স্থানীয় স্লিপার সেলের সম্পৃক্ততার ইঙ্গিত দিয়েছেন।
প্রতিবেদনটি কানাডায় ২০২৩ সালের জুনে শিখ নেতা হরদীপ সিং নিজ্জর হত্যাকাণ্ড এবং যুক্তরাষ্ট্রে গুরপতওয়ান্ত সিং পান্নুনকে হত্যার ব্যর্থ প্রচেষ্টার সঙ্গে হাদি হত্যার মিল খুঁজে পায়। উভয় বিদেশি ঘটনায় ভারতীয় পেশাদার খুনি ও গোয়েন্দা তৎপরতার অভিযোগ উঠে। হাদির হত্যাকারীরা গুলির পর দ্রুত ভারতে পালিয়ে যায় বলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও পুলিশের বক্তব্যে ইঙ্গিত পাওয়া যায়, যদিও সীমান্ত অতিক্রমের স্থান নিয়ে মতভেদ রয়েছে।
প্রতিবেদনটি উপসংহারে জানায়, হাদি হত্যার রহস্য উদ্ঘাটন বর্তমান সরকারের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা। জাতিসংঘ, এফবিআই ও কানাডার গোয়েন্দা সংস্থার সহযোগিতায় তদন্ত পরিচালনার আহ্বান জানানো হয়েছে, যাতে তদন্তের পেশাদারিত্ব ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত হয়।