বাংলাদেশি চিকিৎসক ড. আশরাফুন নাহার ইন ভিট্রো ম্যাচুরেশন (আইভিএম) গবেষণায় সাফল্য অর্জন করেছেন, যা পলিসিস্টিক ওভারি সিনড্রোম (পিসিওএস) আক্রান্ত নারীদের বন্ধ্যত্ব নিরাময়ে নতুন আশার আলো জাগিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের কলোরাডো সেন্টার ফর রিপ্রোডাক্টিভ মেডিসিনে তার নেতৃত্বে পরিচালিত এই গবেষণার ফলাফল আমেরিকান সোসাইটি ফর রিপ্রোডাক্টিভ মেডিসিনের বার্ষিক বৈজ্ঞানিক কংগ্রেসে উপস্থাপন করা হয়। গবেষণায় দেখা গেছে, ডিম্বাণুর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট পরিপূরক পিসিওএস রোগীদের জন্য বিশেষভাবে উপকারী।
আইভিএম একটি উন্নত প্রজনন সহায়ক প্রযুক্তি, যেখানে নারীর শরীর থেকে অপরিপক্ক ডিম্বাণু সংগ্রহ করে ল্যাবরেটরিতে পরিপক্ক করা হয়, ফলে হরমোন ইনজেকশনের প্রয়োজন অনেক কমে যায়। গবেষণায় ১৫ জন রোগী অংশ নেন, যাদের গড় বয়স ছিল ৩০.৫ বছর, গড় বিএমআই ২৮.৫ কেজি/বর্গমিটার এবং গড় অ্যান্টি-মুলারিয়ান হরমোনের মাত্রা ছিল ৮.৫ ন্যানোগ্রাম/মিলিলিটার। গবেষকরা হরমোন উদ্দীপনা ছাড়াই ডিম্বাণু সংগ্রহ করেন এবং কিছু ডিম্বাণু মাইটোকুইনোন দিয়ে পরিপক্ক করেন।
গবেষণায় পাঁচটি জীবিত শিশুর জন্ম হয়েছে এবং কলোরাডো সেন্টারে মোট ১৪টি আইভিএম শিশুর জন্মের তথ্য জানানো হয়েছে, যা পিসিওএস রোগীদের জন্য কম ঝুঁকিপূর্ণ চিকিৎসা হিসেবে আইভিএমের সম্ভাবনা নির্দেশ করে।