যুক্তরাষ্ট্রের হাতে আটক ইরানের একটি মালবাহী জাহাজে চীনের পক্ষ থেকে ‘উপহার’ ছিল বলে ডোনাল্ড ট্রাম্পের দাবি বেইজিং-ওয়াশিংটন সম্পর্কে নতুন উত্তেজনা সৃষ্টি করেছে। শুক্রবার চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এই অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে জানায়, এর কোনো তথ্যগত ভিত্তি নেই। তারা নিজেদের একটি দায়িত্বশীল রাষ্ট্র হিসেবে উল্লেখ করে বলে, বিভিন্ন দেশের মধ্যে স্বাভাবিক বাণিজ্য প্রবাহ ব্যাহত করা উচিত নয়। এর আগে চলতি সপ্তাহের শুরুতে বেইজিং একই ধরনের দাবিকে ‘বিদ্বেষপূর্ণ মিথ্যা’ বলে অভিহিত করেছিল।
যুদ্ধ শুরুর পর থেকেই চীন যুদ্ধবিরতি ও আলোচনার আহ্বান জানিয়ে আসছে। ইরান চীনের বৃহত্তম বাণিজ্যিক অংশীদার এবং ইরানি তেলের সবচেয়ে বড় ক্রেতা হলেও বেইজিং নিজেকে নিরপেক্ষ পক্ষ হিসেবে উপস্থাপন করছে। তাদের দাবি, তারা ইরানকে কোনো অস্ত্র সরবরাহ করছে না।
ট্রাম্পের এই নতুন অভিযোগ মে মাসের মাঝামাঝি সময়ে তার সম্ভাব্য চীন সফরকে অনিশ্চিত করে তুলেছে। একই দিনে চীনের বাণিজ্য মন্ত্রণালয় তাইওয়ানকে অস্ত্র সরবরাহের অভিযোগে ইউরোপের সাতটি প্রতিষ্ঠানের ওপর রপ্তানি নিয়ন্ত্রণ আরোপ করেছে, যা আন্তর্জাতিক সম্পর্কে নতুন উত্তেজনা যোগ করেছে।