বাংলাদেশে সাম্প্রতিক সময়ে একের পর এক মৃদু ভূমিকম্প অনুভূত হচ্ছে, যা সাধারণ ক্ষতি না করলেও জনমনে উদ্বেগ বাড়িয়েছে। ভূতত্ত্ববিদরা সতর্ক করেছেন, এসব ছোট কম্পন মাটির নিচে জমে থাকা শক্তির বহিঃপ্রকাশ এবং বড় ভূমিকম্পের পূর্বাভাস হতে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, সরকারের প্রস্তুতি এখনো অপ্রতুল এবং পূর্বের সুপারিশ বাস্তবায়নে তেমন অগ্রগতি নেই।
রাজধানীতে আয়োজিত এক গোলটেবিল বৈঠকে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী সতর্ক করেন, ঢাকায় বড় ভূমিকম্প হলে শুধু জানমালের ক্ষতি নয়, দেশের সেবা ব্যবস্থা ভেঙে পড়তে পারে। ইউনিসেফ ও সরকারি কর্মকর্তারা দুর্যোগ মোকাবিলায় স্বাস্থ্যকর্মীদের প্রস্তুতি ও ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর তালিকা তৈরির প্রয়োজনীয়তার কথা বলেন। বুয়েট ও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা জানান, বাংলাদেশ সক্রিয় ফল্টলাইনের ওপর অবস্থিত এবং শতাধিক বছর বড় ভূমিকম্প না হওয়ায় বিপুল চাপ জমে আছে।
বিশেষজ্ঞরা ভবনগুলোর কাঠামোগত মূল্যায়ন, দুর্বল ভবন রেট্রোফিটিং এবং আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তারা সতর্ক করেছেন, ঢাকার অপরিকল্পিত নির্মাণ ও নরম মাটি বড় ভূমিকম্পে ভয়াবহ ধ্বংস ডেকে আনতে পারে।