নেত্রকোনার দুর্গাপুর উপজেলার ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রগুলোর অধিকাংশ সার্বক্ষণিক তালাবদ্ধ থাকায় গ্রামীণ রোগীরা চিকিৎসাসেবা ছাড়াই ফিরছেন। ১৫ আগস্ট প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, উপজেলার সাত ইউনিয়নের মধ্যে পাঁচটিতে এমন কেন্দ্র রয়েছে; সরেজমিনে পাঁচটির মধ্যে কেবল বিরিশিরি ইউনিয়ন কেন্দ্র খোলা পাওয়া গেছে। দূরবর্তী সরকারি বা বেসরকারি হাসপাতালে যেতে হওয়ায় দরিদ্র ও অসহায় মানুষের ভোগান্তি এবং চিকিৎসা ব্যয় বাড়ছে।
কুল্লাগড়া, চণ্ডিগড়, বিরিশিরি, কাকৈরগড়া ও গাঁওকান্দিয়া কেন্দ্রের প্রতিটিতে মোট ২৫ জন কর্মী থাকার কথা হলেও বর্তমানে কর্মরত মাত্র আটজন, শূন্য রয়েছে ১৭টি পদ। প্রায় আড়াই বছর ধরে ওষুধ সংকটও চলছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। কাকৈরগড়া কেন্দ্রে তিন কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে এসেও তালাবদ্ধ দেখে ফিরে যান মাজেদা বেগম। স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, চিকিৎসক ও ওষুধ না পেয়ে তাদের দুর্গাপুর শহরের হাসপাতালে যেতে হয় বা বাইরের দোকান থেকে ওষুধ কিনতে বলা হয়।
উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ের ১০টি পদের বিপরীতে কর্মরত আছেন চারজন। উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা কামাল হোসেন জানান, দুজন কর্মী দিয়ে পাঁচটি কেন্দ্র চালানো হচ্ছে, তাই একটি কেন্দ্রে গেলে অন্যটি তালাবদ্ধ থাকে। জেলা কার্যালয়ের উপপরিচালক রফিকুল ইসলাম বলেন, জনবল ও ওষুধ সংকট দেশজুড়েই রয়েছে এবং আগামী তিন মাসের মধ্যে ওষুধ পাওয়ার সম্ভাবনা আছে।