মধ্যপ্রাচ্যে আঞ্চলিক শক্তির ভারসাম্য ধীরে ধীরে বদলে যাচ্ছে, তুরস্ক ও মিশরের নেতৃত্বে একটি নতুন সুন্নি জোট নীরবে অগ্রসর হচ্ছে। ইসরাইলি কৌশলগত বিশ্লেষণ ও গেটস্টোন ইনস্টিটিউটের গবেষণার ভিত্তিতে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানকে ঘিরে বৈশ্বিক আলোচনার পাশাপাশি একটি সুন্নি কূটনৈতিক প্রক্রিয়া এগিয়ে চলছে, যা ইসরাইল, যুক্তরাষ্ট্র ও গোটা অঞ্চলের জন্য দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব ফেলতে পারে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়িপ এরদোয়ান সুন্নি সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশগুলোর মধ্যে সহযোগিতা জোরদারে সক্রিয় ভূমিকা নিচ্ছেন। ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে তাঁর সৌদি আরব ও মিশর সফর এবং ইস্তাম্বুলে জর্ডানের রাজা দ্বিতীয় আবদুল্লাহকে আতিথ্য দেওয়ার ঘটনাকে এই প্রক্রিয়ার গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, এরদোয়ানের কায়রো সফরে ৩৫০ মিলিয়ন ডলারের সামরিক কাঠামো চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে, যার আওতায় যৌথ অস্ত্র উৎপাদন, গোয়েন্দা সহযোগিতা ও সামরিক মহড়ার পরিকল্পনা রয়েছে, এবং দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ১৫ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছাতে পারে।
বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, সুয়েজ খালের ওপর মিশরের নিয়ন্ত্রণ ও ভূমধ্যসাগরীয় নিরাপত্তায় তার ভূমিকা এই উদীয়মান জোটকে আরও কার্যকর করতে পারে, যা ইসরাইলের অর্থনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক রুটে প্রভাব ফেলতে পারে।