চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডে ২০২৬ সালের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৫২.০৭ শতাংশ, যা গত ১৫ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন। ৯৬ হাজার ৩৩৫ পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছেন ৫০ হাজার ১৬৬ জন এবং অকৃতকার্য হয়েছেন ৪৬ হাজার ১৬৯ জন। জিপিএ ৫ পেয়েছেন ২ হাজার ৯২৯ জন, যা আগের বছরের ৬ হাজার ৯৭ জনের তুলনায় ৩ হাজার ১৬৮ জন বা প্রায় ৫২ শতাংশ কম। শনিবার বেলা ১১টায় বোর্ড মিলনায়তনে ফল ঘোষণা করেন পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক পারভেজ সাজ্জাদ চৌধুরী।
চট্টগ্রাম নগরে পাসের হার সর্বোচ্চ ৬৬.২০ শতাংশ, আর নগরীর বাইরে চট্টগ্রাম জেলায় তা ৪৫.৫৯ শতাংশ। বিভাগভিত্তিকভাবে বিজ্ঞানে পাসের হার ৭৪.৪২ শতাংশ, ব্যবসায় শিক্ষায় ৫৪.১৪ শতাংশ এবং মানবিকে ৩৮.৩৬ শতাংশ। ছাত্রীদের পাস ও জিপিএ ৫ পাওয়ার সংখ্যা ছাত্রদের চেয়ে বেশি। পাস করেছেন ৩০ হাজার ৩২৪ ছাত্রী ও ১৯ হাজার ৮৪২ ছাত্র; জিপিএ ৫ পেয়েছেন ১ হাজার ৫৯৬ ছাত্রী এবং ১ হাজার ৩৩৩ ছাত্র।
তিনটি কলেজের নয়জন পরীক্ষার্থীর কেউ পাস করেননি, আর ছয়টি কলেজে শতভাগ পাস হয়েছে। বোর্ড কর্মকর্তারা অভিন্ন প্রশ্নপত্র ও মূল্যায়ন, পরীক্ষা কেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগে পরীক্ষা স্থগিত হওয়ার প্রভাবের কথা বলেছেন। বোর্ড সচিব অধ্যাপক জহিরুল হক স্বপন জানান, জিপিএ ৫ কমার প্রকৃত কারণ জানতে বোর্ড অনুসন্ধান করবে।