প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চট্টগ্রাম সফরে শিল্পায়ন, বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান নিয়ে ঘোষণায় আশাবাদী হয়েছেন চট্টগ্রামের ব্যবসায়ী ও উদ্যোক্তারা। গত রোববার বাঁশখালীতে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসন কর্মসূচিতে তিনি মিরসরাই থেকে মাতারবাড়ী পর্যন্ত শিল্প-কারখানা স্থাপন এবং চট্টগ্রামকে অর্থনৈতিক হাব করতে চীনা বিনিয়োগ আনার পরিকল্পনার কথা বলেন। ব্যবসায়ীরা মনে করছেন, পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে চট্টগ্রামের পাশাপাশি জাতীয় অর্থনীতিও উপকৃত হবে।
চট্টগ্রাম চেম্বারের সভাপতি আমিরুল হক সমুদ্রসম্পদ ঘিরে পরিকল্পনাকে নতুন বিনিয়োগ ও বাণিজ্য সম্প্রসারণের সম্ভাবনা হিসেবে দেখেছেন। তবে উদ্যোক্তারা নিরবচ্ছিন্ন গ্যাস ও বিদ্যুৎ সরবরাহের দাবি জানান। গ্যাসের নিম্নচাপ, বিদ্যুতের ওঠানামা ও জ্বালানি সংকটে উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে বলে তাদের অভিযোগ। ৮ জুলাই সিসিসিআই গ্যাস-বিদ্যুৎ ইস্যুতে শিল্পমালিকদের বিশেষ ছাড় চেয়ে দুই মন্ত্রীকে পৃথক চিঠি পাঠায়।
স্থানীয় উদ্যোক্তারা বিদেশি বিনিয়োগের পাশাপাশি দেশীয় ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসার অংশগ্রহণ এবং অংশীদারত্ব নিশ্চিত করার আহ্বান জানান। তারা কাস্টমস মূল্যায়নের বিলম্ব, ডেমারেজ চার্জ, পণ্য খালাসের সময় ও ব্যয়, বন্দরের সক্ষমতা এবং সড়ক-রেল যোগাযোগ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। বিনিয়োগ বাড়াতে নীতির ধারাবাহিকতা, দ্রুত অনুমোদন, জমি ও ইউটিলিটি সুবিধা এবং আইনশৃঙ্খলার নিশ্চয়তার ওপরও গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।