বাংলাদেশ রেলওয়ে পুলিশ ট্রেনে চুরি, ছিনতাই, ডাকাতি ও হামলার ঘটনা অব্যাহত থাকায় প্রতিটি স্টেশনে এআই-সক্ষম ক্যামেরা বসানো এবং অপরাধী তথ্য ব্যবস্থাপনা হালনাগাদের চিন্তা করছে। কমলাপুরসহ বিভিন্ন স্থান থেকে ছেড়ে যাওয়া ট্রেনে যাত্রীদের ছুরিকাঘাত, মালামাল ছিনিয়ে নেওয়া ও চলন্ত ট্রেন থেকে ফেলে দেওয়ার কয়েকটি ঘটনার পর এ উদ্যোগের কথা জানানো হয়েছে। পুলিশ বলছে, তল্লাশি, প্ল্যাটফর্ম নিরাপত্তা ও গার্ড ডিউটি বাড়ানো হয়েছে।
গত চার বছর আট মাসে ট্রেনকেন্দ্রিক বিভিন্ন অপরাধে ৩,১৬১টি মামলা হয়েছে। ২০২২ সালে ৭৮৬টি, ২০২৩ সালে ৬৩৯টি, ২০২৪ সালে ৬৪৫টি, ২০২৫ সালে ৮৫১টি এবং চলতি বছরের প্রথম আট মাসে ২৫০টি মামলা হয়েছে। রেলওয়ে কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ছিনতাইকারী, পকেটমার এবং চেতনানাশক স্প্রে ব্যবহারকারী চক্রসহ সংঘবদ্ধ অপরাধীদের তৎপরতা বেড়েছে। ছিনতাই ও ডাকাতির মামলায় আসামি শনাক্তে পুলিশকে বেগ পেতে হচ্ছে।
রেলওয়ে পুলিশের ২,৪৯৩ সদস্য ছয়টি রেলওয়ে জেলার ২৪ থানা ও ৩৩ ফাঁড়িতে দায়িত্ব পালন করছেন। অতিরিক্ত জনবলের জন্য পুলিশ সদর দপ্তরে আবেদন করা হয়েছে। প্রস্তাবিত এআই ক্যামেরার মাধ্যমে ঘটনার শিকার ট্রেন যে স্টেশন থেকে ছেড়েছে, সেখানকার ছবি পর্যালোচনা করে সন্দেহভাজনকে শনাক্তের পরিকল্পনা রয়েছে। হালনাগাদ তথ্যভান্ডারে অভিযুক্তদের বর্তমান অবস্থান ও মামলার সর্বশেষ অবস্থা রাখা হবে।