২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে সৌদি আরবের সঙ্গে পারস্পরিক প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষরের মাধ্যমে পাকিস্তান তার কৌশলগত অবস্থান আরও মজবুত করেছে। দীর্ঘদিনের সামরিক সহযোগিতার ভিত্তিতে গঠিত এই চুক্তি উপসাগরীয় অঞ্চলের নিরাপত্তা কাঠামোয় পাকিস্তানের কেন্দ্রীয় ভূমিকা নিশ্চিত করে। অন্যদিকে, প্রবাসী রেমিটেন্স, জ্বালানি নির্ভরতা ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক থাকা সত্ত্বেও ভারত কোনো প্রতিরক্ষা চুক্তি বা যৌথ নিরাপত্তা কাঠামো গড়ে তুলতে পারেনি, ফলে নিরাপত্তা ক্ষেত্রে প্রান্তিক অবস্থানে রয়ে গেছে।
বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, পাকিস্তান তার সীমাবদ্ধতাকে কৌশলগত সম্পদে রূপান্তর করেছে, যেখানে ভারত তার শক্তির কারণে তুলনামূলকভাবে সতর্ক অবস্থান নিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে উত্তেজনা প্রশমনে পাকিস্তানের মধ্যস্থতাকারী ভূমিকা তার আন্তর্জাতিক গুরুত্বকে আরও বাড়িয়েছে। ইতিহাসে দেখা যায়, পাকিস্তান তার সামরিক যোগাযোগ ও পারমাণবিক সক্ষমতার মাধ্যমে বারবার বৈশ্বিক প্রাসঙ্গিকতা ধরে রেখেছে।
প্রতিবেদনটি উপসংহারে বলেছে, ভৌগোলিক অবস্থান ও কৌশলগত অস্পষ্টতা পাকিস্তানকে আঞ্চলিক নিরাপত্তা রাজনীতিতে অপরিহার্য করে তুলেছে, যেখানে ভারত অর্থনৈতিকভাবে শক্তিশালী হলেও কৌশলগতভাবে সীমিত।