সূর্যাস্তের পর ঝিনাইদহের মহেশপুর সীমান্ত দিয়ে ভারতীয় গরু বাংলাদেশে প্রবেশ করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। ভারতের নদীয়া ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলা থেকে এসব গরু এনে লড়াইঘাট ও হাড়িঘাটাসংলগ্ন পয়েন্ট দিয়ে বাংলাদেশে ঢোকানো হয়। পরে গরুগুলো কুমিল্লা ও চুয়াডাঙ্গার শিয়ালমারীসহ দেশের বিভিন্ন পশুর হাটে বিক্রি করা হচ্ছে। অভিযোগ রয়েছে, বিএসএফের কিছু অসাধু সদস্য এই প্রবেশে সহযোগিতা করছে।
অনুসন্ধানে জানা গেছে, সীমান্তের আটটি ঘাটকে কেন্দ্র করে কোটি টাকার অবৈধ বাণিজ্য গড়ে উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, মাসোহারাভিত্তিক নিয়ন্ত্রণে এসব রুট দিয়ে গরু, মাদক ও অন্যান্য চোরাই মালামাল পারাপার হচ্ছে। অতীতে এসব চোরাচালানকে কেন্দ্র করে প্রাণহানির ঘটনাও ঘটেছে।
মহেশপুর ৫৮ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল রফিকুল আলম জানান, সীমান্ত দিয়ে মাদক, গরু ও অন্যান্য চোরাচালান রোধে বিজিবি সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় রয়েছে। টহল ও গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়েছে এবং সীমান্তবর্তী জনগণকে সচেতন করতে নিয়মিত মতবিনিময় করা হচ্ছে।