চট্টগ্রামে এ বছরও বিপুল পরিমাণ কোরবানির পশুর চামড়া নষ্ট হয়েছে, যা ২০১৮ সাল থেকে চলমান প্রবণতারই পুনরাবৃত্তি। কাঙ্ক্ষিত দাম না পেয়ে মৌসুমি ব্যবসায়ীরা বাজার ছেড়ে চলে গেছেন এবং এর জন্য তারা সিন্ডিকেটের কারসাজি ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সমন্বয়হীনতাকে দায়ী করেছেন। তাদের মতে, এই পরিস্থিতিতে কাঁচা চামড়ার সাপ্লাই চেন ভেঙে পড়ছে এবং জাতীয় অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, সাভারের সেন্ট্রাল ইটিপি চালু না হওয়ায় আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশের চামড়া প্রতিযোগিতায় টিকতে পারছে না। এছাড়া সরকার প্রতিবছর ঈদের আগে লবণযুক্ত কাঁচা চামড়ার দাম নির্ধারণ করলেও তা বাস্তব বাজারদর বিবেচনা করে না। এতে মৌসুমি ব্যবসায়ীরা বিভ্রান্ত হয়ে বেশি দামে চামড়া কিনে লোকসানে পড়ছেন।
স্থানীয় ট্যানারি মালিক ও আড়ৎদাররা জানান, সরকারের নির্ধারিত ৫৬ থেকে ৬৭ টাকা বর্গফুট দামের সঙ্গে বাস্তব বাজারদরের মিল নেই। তারা সরকারের কাছে ট্যানারি পর্যায়ে ক্রয়মূল্য তদারকি এবং দেশি-বিদেশি বাজার পুনর্গঠনে উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।