শিক্ষা খাতে অর্থসংকট, আবাসনের উচ্চ ব্যয়, অনিশ্চিত কর্মসংস্থান এবং প্রজন্মগত সুযোগের বৈষম্য নিয়ে ইউরোপজুড়ে বিক্ষোভে নেতৃত্ব দিচ্ছেন তরুণেরা। স্পেন, ফ্রান্স, আলবেনিয়া, ইতালি, গ্রিস ও পর্তুগালসহ বিভিন্ন দেশে আন্দোলনের সূচনা ভিন্ন কারণে হলেও অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে ভবিষ্যৎ নিয়ে অভিন্ন উদ্বেগ দেখা যাচ্ছে। অনেকের আশঙ্কা, তারা তাদের মা-বাবার মতো সমান সুযোগ-সুবিধা পাবেন না। ফ্রান্সে ধর্মঘটরত শিক্ষকদের সমর্থনে শিক্ষার্থীরা রাজপথে নেমেছেন, আর আলবেনিয়ায় বিলাসবহুল স্থাপনা নির্মাণ পরিকল্পনা ঘিরে প্রথম আন্দোলন শুরু হয়।
ফ্রান্সের প্রধান শিক্ষার্থী ইউনিয়ন ইউএনইএফের ভাইস প্রেসিডেন্ট অ্যালিস দে ব্রিতো বলেন, ইউরোপের শিক্ষার্থী ইউনিয়নগুলো নিজেদের অভিজ্ঞতা ও আন্দোলনের কৌশল বিনিময় করছে। তাঁর মতে, শিক্ষা, বিশ্ববিদ্যালয়, তরুণদের জন্য বিনিয়োগ, জীবনযাত্রার ব্যয় ও আবাসন—এসব প্রশ্নে দেশগুলোর মধ্যে মিল বেশি। ফরাসি শিক্ষার্থীরা শ্রেণিকক্ষে শিক্ষার্থীর সংখ্যা কমানো, শিক্ষকদের পেছনে ব্যয় বৃদ্ধি, জলবায়ু উপযোগী অবকাঠামো এবং তরুণদের ওপর পুলিশের সহিংসতা বন্ধের দাবি তুলেছেন।
পর্তুগালে ভাড়াবৃদ্ধিতে সীমা আরোপ ও উচ্ছেদ সহজ করার আইন বাতিলের দাবিতে বিক্ষোভ চলছে; মঙ্গলবার লিসবনে পুলিশ ৫৫ জনকে গ্রেপ্তার করে, এরপর নতুন বিক্ষোভ শুরু হয়। ফ্রান্স ও স্পেনের প্রধান শ্রমিক ইউনিয়ন যথাক্রমে ৫ ও ১১ নভেম্বর সাধারণ ধর্মঘট ডেকেছে। জার্মানির জেন-জি রেগেল্ট ৩১ অক্টোবর দেশজুড়ে বিক্ষোভের আহ্বান জানিয়েছে।