যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান উভয়েই ঘোষণা করেছে যে, তাদের যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ানো এবং জুনে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারক আর কার্যকর নয়। ফলে দুই দেশের মধ্যে সংঘাত আবারও তীব্র হচ্ছে। প্রধান মধ্যস্থতাকারী পাকিস্তান উভয় পক্ষকে হামলা বন্ধ করে আলোচনায় ফেরার আহ্বান জানিয়েছে এবং বলেছে, স্থায়ী শান্তির জন্য কূটনীতির বিকল্প নেই। দুই দেশের নেতারা প্রকাশ্যে জানিয়েছেন, তারা নতুন কোনো চুক্তিতে তাড়াহুড়ো করছেন না।
ইরানের অর্থনীতি দীর্ঘদিনের মার্কিন নিষেধাজ্ঞায় মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, তেল রপ্তানি ও জিডিপি কমেছে এবং সামরিক অবকাঠামোও ব্যাপক ক্ষতির মুখে। অপরদিকে, যুক্তরাষ্ট্রও তেলের দাম বৃদ্ধি, অস্ত্রের ঘাটতি এবং মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে জনঅসন্তোষের চাপের মুখে রয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, উভয় দেশই দীর্ঘমেয়াদি যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার সক্ষমতা হারাচ্ছে।
বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, ইরান এই সংঘাতকে অস্তিত্ব রক্ষার যুদ্ধ হিসেবে দেখে এবং নিরাপত্তা নিশ্চয়তা না পেলে কোনো সমঝোতায় রাজি হবে না। অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের জন্যও এই যুদ্ধ ক্রমেই ব্যয়বহুল ও অস্থিতিশীল হয়ে উঠছে।