জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে গত ৪ আগস্টের সংঘর্ষে আহত অ্যাসিস্ট্যান্ট পাবলিক প্রসিকিউটর খন্দকার আহমদ আল ইরফান এখনো শঙ্কামুক্ত নন এবং নিবিড় পর্যবেক্ষণে আছেন। চিকিৎসকদের মতে, তাঁর মাথায় গুরুতর আঘাত লেগেছে এবং পায়ের শিরা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সংঘর্ষের পর তাঁকে ন্যাশনাল হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেওয়া হয়, সেখানে মাথায় অস্ত্রোপচার করা হয়। পরে তাঁকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল হয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য ইসলামী ব্যাংক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
চিকিৎসক ডা. আনিসুর রহমান বলেন, মাথার আঘাতটি অত্যন্ত স্পর্শকাতর হওয়ায় ইরফানের অবস্থা নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। পায়ের ক্ষত পুরোপুরি সারতে দীর্ঘমেয়াদি ফিজিওথেরাপি প্রয়োজন হবে, তবে পাঁজরের আঘাতের উন্নতি হচ্ছে। রাষ্ট্রের পক্ষে আদালতে মামলা পরিচালনাকারী একজন কৌঁসুলি বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে গুরুতর আহত হওয়ায় নিরাপত্তাব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
ইরফানের ভাগিনা অ্যাডভোকেট সাদ মোনায়েম ভিডিও ফুটেজ বিশ্লেষণ করে কয়েকজনকে হামলায় জড়িত হিসেবে শনাক্তের দাবি করেছেন। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন চার সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। ইরফানের মোবাইল, পরিচয়পত্র, চেকসহ মানিব্যাগ, এটিএম কার্ড ও হাতঘড়ি এখনো উদ্ধার হয়নি। কোতোয়ালি থানায় জিডি নম্বর ৪২৬ করা হয়েছে এবং পুলিশ ফোনটি প্রযুক্তির মাধ্যমে ট্র্যাকের চেষ্টা করেছে।