চট্টগ্রাম মহানগরীর বায়েজিদ ও সীতাকুণ্ডের সলিমপুর ইউনিয়নের দুর্গম এলাকায় চার দশক ধরে পাহাড় কেটে গড়ে ওঠা অবৈধ বসতি ও প্লট বাণিজ্যের তথ্য প্রকাশ পেয়েছে। প্রায় সাড়ে তিন হাজার একর আয়তনের এই এলাকায় তিন হাজার ১০০ একর সরকারি খাসজমি দখল করে টোকেন পদ্ধতিতে হাজার হাজার প্লট বিক্রি করে কয়েক হাজার কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়া হয়েছে। গত ৯ মার্চ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর চার হাজার সদস্যের যৌথ অভিযানে ১৫ জন সন্ত্রাসী আটক হয় এবং প্রথমবারের মতো র্যাব ও পুলিশ ক্যাম্প স্থাপন করা হয়।
প্রশাসন দাবি করেছে, এলাকাটি এখন রাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণে এসেছে, তবে স্থানীয় বাসিন্দা ও পরিবেশকর্মীরা বলছেন, দখলদার ও অবৈধ স্থাপনা এখনো বহাল রয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, দখলদারদের উচ্ছেদ ও প্রাকৃতিক পরিবেশ পুনরুদ্ধার না হলে সন্ত্রাসীদের পুনরুত্থান ঠেকানো সম্ভব হবে না। নব্বইয়ের দশকে বনপ্রহরী আলী আক্কাসের হাত ধরে শুরু হওয়া এই দখলদারিত্ব পরবর্তীতে বিভিন্ন সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর নিয়ন্ত্রণে যায়।
প্রশাসন জানিয়েছে, নিরাপত্তা পরিস্থিতি উন্নত হওয়ায় আগের উন্নয়ন প্রকল্পগুলো পুনর্বিবেচনা করে বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হবে।