২৩ আগস্ট ২০২৬ সালে ফরিদপুরের সালথা উপজেলায় বাম্পার ফলনের পর কম বাজারদর ও সংরক্ষিত পেঁয়াজ পচে যাওয়ায় চাষিরা লোকসানের আশঙ্কায় পড়েছেন। কৃষকদের হিসাবে, প্রতি মণ পেঁয়াজ উৎপাদনে খরচ ১ হাজার ৫০০ থেকে ২ হাজার টাকা হলেও বাজারে বিক্রি হচ্ছে প্রায় ৮০০ থেকে ১ হাজার ২৫০ টাকায়। মৌসুমের শেষে বিক্রির আশায় মজুত রাখা পেঁয়াজের ৪০ থেকে ৫০ শতাংশ মাচায় নষ্ট হচ্ছে বলে তারা জানান।
উপজেলা কৃষি অফিসের তথ্য অনুযায়ী, আট ইউনিয়নে পেঁয়াজ মৌসুমে ৩০ হাজারের বেশি কৃষক মোট জমির ৯০ থেকে ৯৫ শতাংশে পেঁয়াজ আবাদ করেন। এ মৌসুমে ১১ হাজার ২৫০ হেক্টর লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে প্রায় ১১ হাজার ৫০০ হেক্টরে আবাদ হয়েছে। এর সঙ্গে ২০০ হেক্টরে মুড়িকাটা এবং ৫০ হেক্টরে পেঁয়াজ বীজ চাষ হচ্ছে। বিভিন্ন বাজারে প্রতি মণ পেঁয়াজ ৮০০ থেকে ১ হাজার ৩০০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে; ন্যায্য দাম না পেয়ে কেউ কেউ পেঁয়াজ পানিতে ফেলে দিচ্ছেন বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ আছে।
ব্যাপারী মো. মাসুম সরদার বলেন, বাজারে সরবরাহ বেশি ও মোকামে চাহিদা কম থাকায় দাম কমেছে; তবে চিকন বা ছোট পেঁয়াজের দাম ১ হাজার ৬০০ থেকে ১ হাজার ৮০০ টাকা পর্যন্ত উঠেছে। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আহসানুল হাবিব আল আজাদ জনি জানান, প্রণোদনা কর্মসূচিতে ৮০০ কৃষককে বিনা মূল্যে পেঁয়াজ বীজ ও সার দেওয়া হয়েছে। তিনি প্রণোদনা বৃদ্ধি ও সংরক্ষণাগারের বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানোর কথা বলেন।