Web Analytics
রংপুর সিআইডি অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিরুদ্ধে মামলাবাণিজ্য, সরকারি অর্থ আত্মসাৎ, জমি ও ফ্ল্যাট ব্যবসায় সম্পৃক্ততা, মাদক কারবারিদের কাছ থেকে মাসোহারা আদায় এবং অফিসে মাদক সেবনের অভিযোগ উঠেছে। অফিসের একটি সূত্রের বরাতে এসব অভিযোগ প্রকাশিত হয়েছে। অভিযোগগুলোর কারণে গুরুত্বপূর্ণ মামলার তদন্ত কার্যক্রম প্রশ্নের মুখে পড়ছে বলেও দাবি করা হয়েছে। পদাবনতিপ্রাপ্ত সহকারী পুলিশ সুপার সুমিত চৌধুরীর নাম একাধিক অভিযোগে এসেছে।

সূত্রের দাবি, দীর্ঘদিনের জমিজমা মামলায় বাদীপক্ষের হয়ে বিবাদীদের ভয় দেখিয়ে অর্থ আদায় করা হতো। নীলফামারীসহ বিভিন্ন এলাকা থেকে লোকজনকে এনে রুদ্ধদ্বার কক্ষে অর্থের দফারফার পর তদন্ত কর্মকর্তার কাছে হস্তান্তরের অভিযোগও করা হয়েছে। সরকারি গাড়ির ব্যক্তিগত ব্যবহার এবং মোটরসাইকেল, নষ্ট ট্রাক ও জিপের জ্বালানি বরাদ্দের হিসাব নিয়ে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ তোলা হয়েছে।

কনস্টেবল সাদ্দাম বলেন, ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার নির্দেশে তিনি কখনো জ্বালানির রসিদে স্বাক্ষর করেছেন, তবে মামলাবাণিজ্য বা অন্য অনিয়মে জড়িত নন। সুজনের রংপুর জেলা সেক্রেটারি অধ্যাপক ফখরুল আনাম বেনজু সুমিত চৌধুরীকে দ্রুত অপসারণের দাবি জানান। সিআইডি সদর দপ্তরের ডিআইজি মিয়া মাসুদ করিম বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানাবেন বলে জানান। সুমিত চৌধুরী সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

Card image

Related Videos

logo
No data found yet!

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।