একজন কলামিস্ট রাজনৈতিক নেতৃত্বকে তদবির, মোসাহেবি এবং জনসমালোচনা থেকে বিচ্ছিন্ন থাকার প্রবণতা এড়িয়ে চলার আহ্বান জানিয়েছেন। সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে নিয়ে দুটি ব্যক্তিগত ও শোনা ঘটনার উল্লেখ করে লেখক তাঁকে তদবিরবিরোধী এবং সাধারণ মানুষের কাছাকাছি নেতা হিসেবে তুলে ধরেছেন। লেখাটিতে বিএনপি, আমার দেশ পত্রিকা এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের রাজনৈতিক প্রক্সিদের ভূমিকা নিয়েও আলোচনা করা হয়েছে।
লেখকের মতে, দায়িত্বশীল গণমাধ্যমের কাজ ক্ষমতাকে প্রশ্ন করা এবং বিরোধী দলের কাজ সরকারকে সঠিক পথে রাখা। তিনি সত্য বা বস্তুনিষ্ঠ বলে বর্ণিত প্রতিবেদনের প্রতি বিরূপতা এবং আমার দেশকে দুর্বল করার সম্ভাব্য প্রচেষ্টার সমালোচনা করেছেন। শেখ হাসিনার সময়কে উদাহরণ হিসেবে টেনে তিনি দাবি করেন, মোসাহেব ও উপদেষ্টারা নেতাদের জনক্ষোভ থেকে আড়াল করতে পারেন।
কলামটিতে ব্যবসায়িক অলিগার্কদের প্রভাব, জ্বালানি খাত, এসপিএম ও এফএসআরইউ প্রকল্প, করের দায় এবং অবকাঠামো নির্মাণব্যয় নিয়ে অভিযোগ তোলা হয়েছে। সহায়ক নথিসহ লেখা প্রকাশের পরও কোনো ব্যবস্থা দৃশ্যমান নয় বলে লেখক দাবি করেন। বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর বিষয়ে ইতিবাচক ধারণা কেন স্থায়ী হয় না, তা জরুরি ভিত্তিতে অনুসন্ধানের আহ্বান জানিয়ে লেখাটি শেষ হয়েছে।