মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইঙ্গিত দিয়েছেন যে, ইরান ও ভেনেজুয়েলায় সামরিক পদক্ষেপের পর ওয়াশিংটনের পরবর্তী বড় লক্ষ্য হতে পারে কিউবা। হোয়াইট হাউসে ইন্টার মায়ামি ফুটবল ক্লাবকে আতিথেয়তা দেওয়ার সময় তিনি পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওকে কিউবা নিয়ে ‘অসাধারণ কাজ’ করায় ধন্যবাদ জানান এবং জানান যে কিউবার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরও কঠোর করা হয়েছে। ট্রাম্প বলেন, কিউবার কমিউনিস্ট সরকারের পতন আসন্ন এবং এটি যুক্তরাষ্ট্রের বৃহত্তর কৌশলের অংশ, যার মাধ্যমে বৈরী দেশগুলোর ওপর অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক চাপ বাড়ানো হচ্ছে।
কিউবা বর্তমানে মারাত্মক জ্বালানি সংকটে ভুগছে, যা ভেনেজুয়েলা থেকে তেল সরবরাহ বন্ধের পর আরও তীব্র হয়েছে। জাতিসংঘ ও প্যান আমেরিকান হেলথ অর্গানাইজেশন এই পরিস্থিতিকে মানবিক ও সামাজিক-অর্থনৈতিক সংকট হিসেবে বর্ণনা করেছে। বিদ্যুৎ বিভ্রাটে হাসপাতাল, পানি সরবরাহ ও খাদ্য বিতরণ ব্যবস্থা বিপর্যস্ত হয়েছে। কূটনৈতিক ক্ষেত্রেও দেশটি চাপের মুখে, ইকুয়েডর কিউবার রাষ্ট্রদূতকে বহিষ্কার করেছে এবং হন্ডুরাস, জ্যামাইকা ও অন্যান্য দেশ চিকিৎসা সহযোগিতা চুক্তি বাতিল করেছে।
ট্রাম্প শনিবার ফ্লোরিডার মার-এ-লাগোতে লাতিন আমেরিকার ডানপন্থি নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন, যা আঞ্চলিক জোট পুনর্গঠনের ইঙ্গিত দিচ্ছে।