সৌদি আরবের ক্রাউন প্রিন্স ও কার্যত রাষ্ট্র পরিচালনার প্রধান মোহাম্মদ বিন সালমান ২০১৬ সালে ঘোষিত ভিশন ২০৩০-এর মাধ্যমে ব্যাপক অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিবর্তনের উদ্যোগ নিয়েছেন। পরিকল্পনাটির লক্ষ্য তেলের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে পর্যটন, শিল্প, প্রযুক্তি, খনিজ, সরবরাহব্যবস্থা, বিনোদন ও আর্থিক সেবার মতো খাত সম্প্রসারণ করা। তবে এই আধুনিকায়নের পাশাপাশি ক্ষমতার কেন্দ্রীকরণ, মানবাধিকার ও আঞ্চলিক সামরিক নীতি নিয়ে তার নেতৃত্ব সমালোচিত।
সূত্রে উদ্ধৃত আইএমএফের মূল্যায়ন অনুযায়ী, সৌদি জিডিপিতে বেসরকারি খাতের অবদান ২০১৬ সালের ৪৪ শতাংশ থেকে ২০২৫ সালে ৫১ শতাংশে উঠেছে। একই সময়ে নারীদের শ্রমশক্তিতে অংশগ্রহণ ২২ দশমিক ৮ শতাংশ থেকে ৩৫ শতাংশে বেড়েছে। পর্যটন, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও আন্তর্জাতিক খেলাধুলার পরিসরও বেড়েছে এবং সৌদি আরব ২০৩৪ ফুটবল বিশ্বকাপ আয়োজনের স্বত্ব পেয়েছে। তবে রাজনৈতিক মতপ্রকাশ ও আইনি সমতার সীমাবদ্ধতা রয়ে গেছে।
নিবন্ধটিতে রাজনৈতিক দমন-পীড়নের অভিযোগ, ২০১৮ সালে সাংবাদিক জামাল খাশোগি হত্যাকাণ্ড এবং ইয়েমেন সংঘাতের মানবিক পরিণতির কথা তুলে ধরা হয়েছে। নিওমসহ মেগা প্রকল্পের ব্যয়, বিলম্ব ও বিনিয়োগঝুঁকিও প্রশ্নের মুখে। দীর্ঘমেয়াদে তার নেতৃত্বের মূল্যায়ন নির্ভর করবে অর্থনৈতিক বৈচিত্র্য, নারীর সমতা, জবাবদিহি ও আইনের শাসনের অগ্রগতির ওপর।