একজন সিনিয়র সাংবাদিকের মন্তব্যধর্মী লেখায় চট্টগ্রামের নিউ মুরিং কনটেইনার পোর্টে কনটেইনার হ্যান্ডলিংয়ের জন্য সংযুক্ত আরব আমিরাতভিত্তিক ডিপি ওয়ার্ল্ডের সঙ্গে বাংলাদেশ সরকারের চুক্তির পক্ষে যুক্তি দেওয়া হয়েছে। লেখক রাজনৈতিক মহলের প্রতিবাদকে অযৌক্তিক বলে উল্লেখ করে বলেছেন, আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের দক্ষতা ও লজিস্টিক সুবিধা বাড়াতে বিদেশি কোম্পানির মাধ্যমে বন্দর ও টার্মিনাল পরিচালনা বিশ্বজুড়ে দীর্ঘদিনের প্রচলিত ব্যবস্থা।
লেখাটিতে বলা হয়েছে, ডিপি ওয়ার্ল্ড প্রায় ৭৭টি দেশের বন্দর ও টার্মিনাল পরিচালনা করে এবং প্রায় তিন দশক ধরে ভারতের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বন্দর ও কনটেইনার টার্মিনালে কাজ করছে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রায় ১৫টি বড় বন্দরের প্রায় ১০০টি পৃথকভাবে পরিচালিত টার্মিনালের ৮০ শতাংশের বেশি চীন, ডেনমার্ক, সিঙ্গাপুর ও দক্ষিণ কোরিয়ার শিপিং লাইন বা লজিস্টিক কোম্পানি চালায় বলেও এতে দাবি করা হয়েছে।
লেখকের মতে, দক্ষতা, আধুনিক প্রযুক্তি, অটোমেশন, বিনিয়োগ সক্ষমতা, জাহাজবহর ও বৈশ্বিক নেটওয়ার্কের সুবিধার জন্য দেশগুলো এমন কোম্পানিকে দায়িত্ব দেয়। তবে সমালোচকদের উত্থাপিত কনটেইনার হ্যান্ডলিং ও বন্দর চার্জ বাড়ার আশঙ্কা এবং কৌশলগত স্থাপনা বিদেশি ব্যবস্থাপনায় গেলে ভূরাজনৈতিক ও জাতীয় নিরাপত্তাঝুঁকির বিষয়টিও লেখাটি স্বীকার করেছে।