স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম জানিয়েছেন, ব্যাটারিচালিত ই-রিকশাকে সিটি করপোরেশন ও পৌরসভার মাধ্যমে নিবন্ধনের আওতায় আনা হবে এবং চার্জের জন্য সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহার বাধ্যতামূলক করা হবে। ১৮ আগস্ট প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সৌরবিদ্যুৎ ছাড়া চার্জ দিলে জরিমানা হবে; নিবন্ধন বা নিবন্ধন নবায়নও দেওয়া হবে না। কার্যক্রমটি ঢাকাসহ সারা দেশে ১৩টি সিটি করপোরেশন, ৩৩০টি পৌরসভা ও সব উপজেলায় বাস্তবায়নের কথা বলা হয়েছে।
সিপিডির গবেষণা অনুযায়ী, দেশে প্রায় ৬০ লাখ ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা রয়েছে এবং তাদের চার্জে জাতীয় গ্রিড থেকে প্রতিদিন ৮০০-৮৫০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ ব্যবহৃত হয়। প্রতিবেদনে এ খাতে বার্ষিক বিদ্যুৎ ব্যয় ২০ হাজার কোটি টাকার বেশি এবং অবৈধ চার্জিংয়ের কারণে অন্তত পাঁচ হাজার কোটি টাকার রাজস্ব ক্ষতির দাবি করা হয়েছে। ডিএমপির হিসাবে শুধু ঢাকায় ৪৮ হাজার ১৩৬টি অবৈধ চার্জিং পয়েন্ট ও ৯৯২টি গ্যারেজ আছে।
ঢাকায় ই-রিকশাকে আটটি জোনে ভাগ, আলাদা রং, কিউআর কোড এবং জিওফেন্সিং ব্যবহারের পরিকল্পনার কথাও বলেছেন প্রতিমন্ত্রী। বিধিমালার প্রাথমিক বৈঠকে বুয়েটের বিশেষজ্ঞ, ট্রাফিক পুলিশ ও দুই সিটি করপোরেশনের প্রতিনিধি অংশ নিয়েছেন। শ্রমিক নেতা ও যাত্রীকল্যাণ সমিতির প্রতিনিধিরা নীতিমালা ও নিবন্ধনের দাবি করেছেন, আর শ্রমিক সংগঠনের এক নেতা বিদ্যুৎ সংকটের দায় রিকশাশ্রমিকদের ওপর চাপানোর সমালোচনা করেছেন।