নেপালে আগামী কয়েক দিনের মধ্যে নতুন করে ভূমিধস ও আকস্মিক বন্যার আশঙ্কায় সতর্কতা জারি করেছেন বিশেষজ্ঞ ও কর্তৃপক্ষ। অস্থিতিশীল গিরিখাতের দেয়াল এবং আংশিক ধসে পড়া হিমবাহকে ঝুঁকির কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। লেন্দে খোলা, ভোতে কোশি ও ত্রিশূলী নদীর নিম্নাঞ্চলকে উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা ঘোষণা করা হয়েছে। বুধবারের ভয়াবহ আকস্মিক বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৪৭৫ জনে দাঁড়িয়েছে, আর বহু মানুষ এখনো নিখোঁজ রয়েছেন।
ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার ফর ইন্টিগ্রেটেড মাউন্টেন ডেভেলপমেন্টের হিমবাহ বিশেষজ্ঞ ও জরুরি সেবা দলের সদস্যরা সাম্প্রতিক বন্যা ও ভূমিকম্পের পর দুটি প্রধান হুমকি চিহ্নিত করেছেন। বন্যার পানি ১০ মিটার পর্যন্ত উঠেছিল এবং লেন্দে খোলা গিরিখাতের খাড়া পাথুরে ও মোরেইন ঢালের ভিত্তি ব্যাপক ক্ষয় করেছে। স্যাটেলাইট ছবিতে ছোট ভূমিধসের চিহ্ন পাওয়ায় বড় পাথরধসের আশঙ্কা বেড়েছে; এতে নদীর গতিপথ বন্ধ হয়ে ভাটিতে বিপজ্জনক পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে।
গ্যাংভু হিমবাহের অবশিষ্ট অস্থিতিশীল অংশ নিয়েও উদ্বেগ রয়েছে। আফটারশক বা শক্তিশালী কম্পনে সেটি গিরিখাতে ধসে নতুন ঢেউ সৃষ্টি করতে পারে বলে সতর্ক করা হয়েছে। চীনা ও নেপালি বিশেষজ্ঞরা রাডার স্যাটেলাইটে আশপাশের হিমবাহ-উৎপন্ন হ্রদ পর্যবেক্ষণ করছেন। স্থানীয় বাসিন্দা ও উদ্ধারকারী দলকে নদীর তীরের কাছে যেতে কঠোরভাবে নিষেধ করা হয়েছে।