ইসলামিক সহযোগিতা সংস্থা (ওআইসি) দখলকৃত পশ্চিম তীরে ৩৪টি নতুন বসতি অনুমোদনের জন্য ইসরায়েলকে নিন্দা জানিয়েছে এবং একে আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন বলে অভিহিত করেছে। ইসরায়েলি মানবাধিকার সংগঠন পিস নাও জানিয়েছে, এই সিদ্ধান্তটি এপ্রিলের শুরুতে গোপনে নেওয়া হয়েছিল এবং ইসরায়েলি গণমাধ্যমও তা নিশ্চিত করেছে। ফিলিস্তিনি প্রেসিডেন্সি এই পরিকল্পনাকে আন্তর্জাতিক আইনের প্রকাশ্য লঙ্ঘন বলে উল্লেখ করেছে, যদিও ইসরায়েলি সরকার এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেনি।
ওআইসি জানিয়েছে, ইসরায়েল দখলদার শক্তি হিসেবে ফিলিস্তিনি ভূখণ্ড, বিশেষ করে পূর্ব জেরুজালেমের ওপর কোনো সার্বভৌমত্ব রাখে না এবং সেখানে ভৌগোলিক বা জনসংখ্যাগত পরিবর্তনের সব প্রচেষ্টা আন্তর্জাতিক আইনে অবৈধ। সংস্থাটি সতর্ক করেছে যে বসতি সম্প্রসারণ, ভূমি দখল এবং বসতি স্থাপনকারীদের সহিংসতা দুই রাষ্ট্র সমাধানকে বিপন্ন করছে এবং ফিলিস্তিনিদের অধিকার লঙ্ঘন করছে। তুরস্কও এই সিদ্ধান্তকে জাতিসংঘের প্রস্তাব ও আন্তর্জাতিক আইনের গুরুতর লঙ্ঘন হিসেবে সমালোচনা করেছে।
ইসরায়েলি গণমাধ্যম জানিয়েছে, নিরাপত্তা মন্ত্রিসভার সাম্প্রতিক বৈঠকে এই ৩৪টি বসতি অনুমোদন দেওয়া হয়, যা একক বৈঠকে সর্বাধিক অনুমোদনের রেকর্ড। এর মধ্যে ১০টি বিদ্যমান আউটপোস্টকে বৈধ করা হবে এবং বাকি ২৪টি নতুনভাবে নির্মিত হবে।