বাংলাদেশে হামের ভয়াবহ প্রাদুর্ভাব চলাকালীন সময়ে আবারও ডেঙ্গু সংক্রমণ দ্রুত বাড়ছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যমতে, ২০২৬ সালের জুন মাসের প্রথম ২১ দিনে ১,৭০৩ জন ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছেন এবং গত ২৪ ঘণ্টায় দুজনের মৃত্যু হয়েছে। এ পর্যন্ত ৫৮ জেলায় মোট ৪,৯০০ জন আক্রান্ত ও ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। বরিশাল বিভাগে আক্রান্তের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি। জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ও স্বাস্থ্যমন্ত্রী সতর্ক করে বলেছেন, ডেঙ্গু এখন মৌসুমি নয়, বরং জাতীয় চ্যালেঞ্জে পরিণত হয়েছে।
সরকার ডেঙ্গু মোকাবিলায় জাতীয় কমিটি পুনর্গঠন করেছে এবং তিন মাসব্যাপী বিশেষ কর্মসূচি চালু করেছে। রাজধানীসহ সারাদেশে এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংসে অভিযান চলছে। হাসপাতালগুলোতে চিকিৎসা জোরদার করা হয়েছে, ফিল্ড হাসপাতাল ও ডেঙ্গু কর্নার প্রস্তুত রাখা হয়েছে। পরীক্ষার ৮০ শতাংশ ফ্রি করা হয়েছে এবং অবহেলার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।
বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন যে শুধুমাত্র ফগিং করে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়। তারা নিয়মিত নজরদারি, প্রজননস্থল ধ্বংস এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধির ওপর জোর দিয়েছেন। সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি নাগরিকদেরও সক্রিয় ভূমিকা নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।