মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে পরিকল্পিত সামরিক মহড়া কমিয়ে আনার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। দক্ষিণ কোরিয়ার পুসান ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির আন্তর্জাতিক সম্পর্কের অধ্যাপক রবার্ট কেলি এ সিদ্ধান্তকে ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে ট্রাম্পের ব্যর্থতার সঙ্গে যুক্ত করেছেন। ১৭ আগস্ট ২০২৬ প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে আল জাজিরাকে দেওয়া তাঁর মন্তব্য তুলে ধরা হয়।
কেলির ভাষ্য অনুযায়ী, ট্রাম্প ধারণা করেছিলেন ইরান সংঘাত দ্রুত শেষ হবে এবং জানুয়ারিতে ভেনেজুয়েলায় চালানো দ্রুত অভিযানের মতো আকস্মিক ফল আসবে। কিন্তু পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে গিয়ে বড় সংঘাতে পরিণত হয়েছে এবং ধীরে ধীরে পাল্টাপাল্টি হামলার চক্র তৈরি হয়েছে। তাঁর মতে, সংঘাতটি যুক্তরাষ্ট্রের ভাষায় একটি ‘চিরস্থায়ী যুদ্ধের’ রূপ নিতে শুরু করেছে।
কেলি বলেন, এ অবস্থায় ট্রাম্প নিজেকে আটকে পড়া মনে করছেন এবং দায় চাপানোর জন্য কাউকে খুঁজছেন। তাঁর মতে, যুক্তরাষ্ট্রের মিত্ররা এ ক্ষেত্রে সুবিধাজনক লক্ষ্য হয়েছে; একই কারণে ট্রাম্প আগেও ন্যাটোর সমালোচনা করেছেন। দক্ষিণ কোরিয়া যুদ্ধে সরাসরি অংশ নেয়নি এবং তাদের সঙ্গে কোনো পরামর্শও করা হয়নি বলে কেলি উল্লেখ করেন।