অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী জাতীয় সংসদে জানান, বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিসংখ্যান অনুযায়ী দেশে বর্তমানে ব্যাংক হিসাবের সংখ্যা ১৯ কোটি ৩২ লাখ ৫১ হাজার ২৩২টি। এর মধ্যে সঞ্চয়ী হিসাব ১৭ কোটি ৭৯ লাখ ৫০ হাজার ৪৬৫টি এবং ঋণ হিসাব এক কোটি ৫৩ লাখ ৭৬৭টি। তিনি জানান, ২০২৬ সালের মধ্যে শতভাগ প্রাপ্তবয়স্ক নাগরিকের আর্থিক অন্তর্ভুক্তি নিশ্চিত করতে সরকার ‘জাতীয় আর্থিক অন্তর্ভুক্তি কৌশল’ প্রণয়ন করেছে, বর্তমানে অন্তর্ভুক্তির হার ৬৪ দশমিক ৫০ শতাংশ।
মন্ত্রী আরও জানান, প্রায় ৩০টি ব্যাংক অনিয়ম ও দুর্নীতির কারণে বিদেশে পাচার হওয়া খেলাপি ঋণ উদ্ধারে ৯টি আন্তর্জাতিক আইনি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ‘নো উইন নো ফি’ চুক্তিতে কাজ শুরু করেছে। মার্চ ২০২৬ পর্যন্ত বৈদেশিক ঋণের পরিমাণ ছিল ৭৮,২৩৩.৪৪৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। নিবন্ধিত রাজস্বদাতার সংখ্যা বেড়ে হয়েছে এক কোটি ৩৮ লাখ ২৯ হাজার ৪৮৬। তারল্য সংকটে থাকা ব্যাংকগুলোকে ৭৫ হাজার ৯০৩ কোটি ১১ লাখ টাকা জরুরি সহায়তা দেওয়া হয়েছে।
তিনি জানান, পাঁচটি ইসলামী ব্যাংককে ২০২৫ সালের ব্যাংক রেজল্যুশন স্কিমের আওতায় আনা হয়েছে এবং ২০২৬ সালের আমানত সুরক্ষা আইনে গ্রাহকদের সর্বোচ্চ ২ লাখ টাকা পর্যন্ত ফেরত দেওয়া হচ্ছে।