Web Analytics
২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর ব্যাপক রদবদল হলেও চট্টগ্রাম নগর পুলিশের কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে অনিয়ম ও অপরাধের অভিযোগ অব্যাহত রয়েছে। গত এক বছরে মাদক আত্মসাৎ, জাতীয় দলের ক্রিকেটারকে মারধর, চাঁদাবাজি, ব্ল্যাকমেইল, নাগরিককে আটকে রেখে অর্থ আদায় এবং ব্যবসায়ীর কাছ থেকে নগদ টাকা ও ক্রিপ্টোকারেন্সি নেওয়ার অভিযোগে একাধিক কর্মকর্তাকে প্রত্যাহার, সংযুক্ত বা বদলি করা হয়েছে।

সিএমপির অভ্যন্তরীণ তদন্তে প্রায় এক লাখ পিস ইয়াবা জব্দ না দেখিয়ে আত্মসাতের ঘটনায় কোতোয়ালি থানার তৎকালীন ওসি আফতাব উদ্দিনের নির্দেশের বিষয়টি উঠে আসে; পরে তাকে পুলিশ লাইনসে সংযুক্ত করা হয়। ক্রিকেটার নাঈম হাসানকে হেনস্তা ও মারধরের অভিযোগে খুলশী থানার তৎকালীন ওসি আরিফুর রহমানকে প্রত্যাহার করা হয়। হানি ট্র্যাপ, বেআইনি আটক এবং অর্থ আদায়ের অভিযোগেও কয়েকজন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, অধিকাংশ ঘটনায় প্রশাসনিক বদলি বা প্রত্যাহার হলেও তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির নজির তুলনামূলক কম। সিএমপি কমিশনার হাসান মো. শওকত আলী বলেছেন, অভিযোগ গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে এবং প্রমাণ মিললে বিভাগীয় ও আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। মাদক, চাঁদাবাজি ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে তার অবস্থান জিরো টলারেন্স বলেও তিনি জানান।

Card image

Related Videos

logo
No data found yet!

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।