গাজায় হামাসকে নিরস্ত্রীকরণের লক্ষ্যে গঠিত বোর্ড অব পিসের জন্য অস্বস্তিকর সময়ে ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আশা করেছিলেন, ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ হামাসকে নিরস্ত্রীকরণের পথে আনবে। কিন্তু যুদ্ধের ফলে হামাস উল্টো আরও উৎসাহিত হয়েছে। যুদ্ধ শুরুর মাত্র নয় দিন আগে বোর্ড অব পিস গাজায় মানবিক সহায়তা ও পুনর্গঠনের জন্য ১৭ বিলিয়ন ডলারের প্রতিশ্রুতি নিশ্চিত করেছিল, যা হামাসবিরোধী আন্তর্জাতিক সমর্থনের ইঙ্গিত দিচ্ছিল।
যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর উপসাগরীয় দেশগুলো ইরানের পাল্টা হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং তারা এখন প্রতিরক্ষা ব্যয়ে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে। বোর্ড অব পিসের সঙ্গে হামাসের আলোচনা পুনরায় শুরু হলেও দলটি নিরস্ত্রীকরণ প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করছে। আলোচনায় যুক্ত এক আরব কূটনীতিক জানান, ইরানের টিকে থাকা হামাসকে আরও দৃঢ় করেছে এবং তারা আলোচনাকে দীর্ঘায়িত করছে।
বোর্ড অব পিসের গাজাবিষয়ক দূত নিকোলাই ম্লাদেনভ স্বীকার করেছেন, হামাস গাজায় নিজেদের ক্ষমতা সুসংহত করছে এবং নিরস্ত্রীকরণ আলোচনা বিলম্বিত করছে, ফলে পুনর্গঠন পরিকল্পনা স্থবির হয়ে পড়েছে।