আমার দেশের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রাজধানীর ফুটপাত, কাঁচাবাজার, পরিবহন, অটোরিকশা, নদীর ঘাট, ময়লা ব্যবস্থাপনা ও বড় ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানসহ নানা খাতে চাঁদাবাজি ছড়িয়ে পড়েছে। ৭ আগস্ট ২০২৬ প্রকাশিত প্রতিবেদনে অভিযোগ করা হয়, চাঁদা না দিলে মানুষ মারধর, হুমকি ও হয়রানির শিকার হচ্ছেন। মোহাম্মদপুর, মিরপুর, পল্লবী, ভাষানটেক, কেরানীগঞ্জ ও যাত্রাবাড়ীসহ কয়েকটি এলাকায় এ পরিস্থিতি নিয়ে আতঙ্কের কথা তুলে ধরা হয়েছে।
পুলিশ সদর দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে মে পর্যন্ত দেশে চাঁদাবাজির ঘটনায় ৬৯৬টি মামলা হয়েছে এবং ৮২৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ডিএমপির হিসাবে ফেব্রুয়ারি থেকে মে পর্যন্ত রাজধানীতে এ সংক্রান্ত ২৩৬টি মামলা হয়েছে। ডিএমপি সূত্রে আরও বলা হয়েছে, জুন পর্যন্ত ঢাকায় ১২২টি হত্যাকাণ্ড ঘটেছে। তদন্তে রাজনৈতিক আধিপত্য, অভ্যন্তরীণ কোন্দল, দখলবাণিজ্য ও চাঁদাবাজির তথ্য উঠে এসেছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।
বিভিন্ন সংস্থা ও স্থানীয় সূত্রের তথ্যের ভিত্তিতে প্রতিবেদনে প্রায় ১,২০০ চাঁদাবাজের সঙ্গে ৩২৯ জন প্রভাবশালী নেতার আশ্রয়দাতা হিসেবে নাম ওঠার কথা বলা হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা অবৈধ অর্থনীতির ভিত্তি ভাঙা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা এবং হত্যাকাণ্ডের নিরপেক্ষ তদন্ত ও বিচারের ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন।