আমেরিকার সঙ্গে যৌথভাবে ইরানে আগ্রাসন শুরু করার পর ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ইসরাইল লেবাননের দক্ষিণ সীমান্তে হামলা জোরদার করে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইসরাইলি বাহিনী দক্ষিণ লেবাননের তাইবা, নাকুরা ও দাইর সারইয়ানসহ একাধিক গ্রাম সম্পূর্ণভাবে ধ্বংস করেছে। গার্ডিয়ান ইসরাইলি সেনাবাহিনীর প্রকাশিত ভিডিও বিশ্লেষণ করে এসব ধ্বংসযজ্ঞের চিত্র তুলে ধরেছে, যদিও স্যাটেলাইটের মাধ্যমে তা এখনো নিশ্চিত করা যায়নি।
ইসরাইলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরাইল কাটজের নির্দেশনার পর এই অভিযান শুরু হয়। তিনি গাজার রাফাহ ও বাইত হানুনের মতো লেবানন সীমান্তের সব ঘরবাড়ি ধ্বংসের নির্দেশ দেন। ইসরাইল দাবি করছে, হামলাগুলো হিজবুল্লাহর সুড়ঙ্গ ও সামরিক স্থাপনা লক্ষ্য করে চালানো হচ্ছে এবং তারা সীমান্ত থেকে লিতানি নদী পর্যন্ত একটি ‘সিকিউরিটি জোন’ গড়ে তুলবে, যেখানে উদ্বাস্তুদের ফেরার অনুমতি দেওয়া হবে না।
মানবাধিকার সংস্থাগুলো বলছে, বেসামরিক স্থাপনা নির্বিচারে ধ্বংস করা যুদ্ধাপরাধের শামিল। হিউম্যান রাইটস ওয়াচের এক গবেষক মন্তব্য করেছেন, সীমান্তের কিছু স্থাপনা হিজবুল্লাহ ব্যবহার করতে পারে বলে পুরো গ্রাম ধ্বংসের যৌক্তিকতা নেই।