উচ্চ ব্যাংকঋণ সুদহার, নির্মাণসামগ্রীর মূল্যবৃদ্ধি ও মূল্যস্ফীতিতে মানুষের ক্রয়ক্ষমতা কমে যাওয়ায় বাংলাদেশের আবাসন খাতে ক্রেতা সংকট তীব্র হয়েছে। খাতসংশ্লিষ্টদের মতে, ফ্ল্যাটের বেচাকেনা প্রায় ৬৫ শতাংশ কমেছে এবং ফ্ল্যাট ও প্লটের চাহিদাও কমেছে। উচ্চ নিবন্ধন ব্যয় ও করের চাপে অনেক প্রকল্প অর্ধসমাপ্ত অবস্থায় রয়েছে।
রিহ্যাবের তথ্য অনুযায়ী, জিডিপিতে আবাসন খাতের অবদান ৮ শতাংশের বেশি; সংযোগ শিল্পসহ তা প্রায় ১৬ শতাংশ। আবাসন নির্মাণ ও সংশ্লিষ্ট কাজে প্রায় ৫০ লাখ মানুষের কর্মসংস্থান রয়েছে এবং ২৬৯টি সহায়ক শিল্প এ খাতের সঙ্গে যুক্ত। রড, সিমেন্টসহ নির্মাণসামগ্রীর দাম প্রায় ৩১ শতাংশ এবং কর বৃদ্ধির কারণে ব্যয় আরও ১২ শতাংশ বেড়ে মোট নির্মাণব্যয় প্রায় ৪৩ শতাংশ বেড়েছে।
খাতের উদ্যোক্তারা সিঙ্গেল ডিজিট সুদে ঋণ, মধ্যবিত্তের জন্য বিশেষ আবাসন অর্থায়ন এবং নিবন্ধন ব্যয় কমানোর দাবি জানিয়েছেন। রিহ্যাব সভাপতি ড. আলী আফজাল নিবন্ধন ব্যয় ১৫ শতাংশ থেকে ৫ শতাংশে নামানোর প্রস্তাব দিয়েছেন। নতুন ড্যাপের ফার ও ভবনের আয়তনসংক্রান্ত বিধিনিষেধে কিছু এলাকায় নির্মাণযোগ্য জায়গা কমে যাওয়ায় নতুন প্রকল্পও বাধাগ্রস্ত হচ্ছে বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।