রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলার দ্বিতীয় তিস্তা সেতুর সংযোগ সড়কের বিভিন্ন অংশে ভয়াবহ ধস দেখা দিয়েছে। টানা কয়েক দিনের বৃষ্টি ও দুর্বল পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থার কারণে লক্ষ্মীটারী ইউনিয়নের মহিপুর এলাকায় সেতুর উত্তর প্রান্তে অন্তত ১৫টি স্থানে বড় গর্ত ও ফাটল সৃষ্টি হয়েছে। এতে যাত্রী, পথচারী ও যানবাহন চালকদের চলাচল ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে, বিশেষ করে রাতে গর্তগুলো স্পষ্ট বোঝা না যাওয়ায় দুর্ঘটনার আশঙ্কা বেড়েছে।
স্থানীয়রা জানান, রংপুর দ্বিতীয় তিস্তা সেতু থেকে কাকিনা হয়ে বুড়িমারী স্থলবন্দর পর্যন্ত এই সড়কটি উত্তরাঞ্চলের ব্যবসা-বাণিজ্য, চিকিৎসা ও শিক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তারা অভিযোগ করেন, ভারী যানবাহনের চাপ, রক্ষণাবেক্ষণের অভাব ও দুর্বল পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থার কারণে সড়কটি দীর্ঘদিন ধরে ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ আল হাদী সতর্ক করে বলেন, দ্রুত সংস্কার না হলে বড় অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
উপজেলা প্রকৌশলী শাহ মো. ওবায়দুর রহমান জানান, ক্ষতিগ্রস্ত অংশগুলো চিহ্নিত করে দ্রুত সংস্কারের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। স্থানীয়রা দীর্ঘমেয়াদি ও টেকসই সংস্কারের দাবি জানিয়েছেন যাতে ভবিষ্যতে একই সমস্যা না ঘটে।