জলবায়ুসহিষ্ণু ধানের নতুন জাত উদ্ভাবনে জিনোম এডিটিং প্রযুক্তির সম্ভাবনা নিয়ে গাজীপুরে দিনব্যাপী এক পরামর্শমূলক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার ব্র্যাক এগ্রিকালচারাল রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট সেন্টারে আয়োজিত এ কর্মশালাটি বাংলাদেশ বিজ্ঞান একাডেমির অর্থায়নে পরিচালিত একটি বিশেষ গবেষণা প্রকল্পের অংশ ছিল। কর্মশালায় সভাপতিত্ব করেন প্রফেসর ড. মো. তোফাজ্জল ইসলাম, প্রধান অতিথি ছিলেন গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. জিকেএম মোস্তাফিজুর রহমান এবং বিশেষ অতিথি ছিলেন জীবপ্রযুক্তিবিদ প্রফেসর হাসিনা খান।
বক্তারা বলেন, আধুনিক জিনোম এডিটিং প্রযুক্তি টেকসই কৃষি ও খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও প্রতিষ্ঠানের গবেষকেরা লবণাক্ততা, খরা, অতিবৃষ্টি ও রোগসহনশীল ধানের জাত উদ্ভাবনের চলমান গবেষণার অগ্রগতি উপস্থাপন করেন। কারিগরি অধিবেশনে গাইড-আরএনএ ডিজাইন, জিনোম এডিটিংয়ের ব্যবহার ও জীবনিরাপত্তা বিষয়ক প্রবন্ধ উপস্থাপন করা হয়।
সমাপনী পর্বে আগামী তিন বছরে জিনোম-এডিটেড জলবায়ুসহিষ্ণু ধানের জাত উদ্ভাবন ও বাণিজ্যিকীকরণের লক্ষ্যে কর্মপরিকল্পনা গৃহীত হয় এবং শিক্ষা ও শিল্প খাতের যৌথ উদ্যোগ সম্প্রসারণের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।