পুলিশ জানিয়েছে, বাংলাদেশজুড়ে বর্তমানে ৪৫৩টি কিশোর গ্যাং সক্রিয় রয়েছে; এর মধ্যে ঢাকা মহানগর পুলিশের ৫০ থানায় আছে ১৬১টি চক্র। এসব গ্যাং খুনাখুনি, মাদক কারবার ও সেবন, চাঁদাবাজি, ছিনতাই, জমি দখল এবং ডাকাতির মতো অপরাধে জড়িত বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। ঢাকাসহ সারা দেশে গ্যাংয়ের বিস্তার বাড়ায় পুলিশ সাঁড়াশি অভিযানের পরিকল্পনা করছে।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সূত্র অনুযায়ী, চট্টগ্রাম মহানগরসহ বিভাগের ১১ জেলায় ১৩০টি গ্যাং রয়েছে, যার মধ্যে শুধু চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন এলাকায় সক্রিয় ৭৮টি। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অনেক গ্যাং নামে-বেনামে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পেজ খুলে নিজেদের কর্মকাণ্ড প্রকাশ করছে, যা অন্য কিশোরদের প্ররোচিত করতে পারে। মাঠপর্যায়ের তথ্যের বরাতে বলা হয়েছে, ২০২৪ সালের জুলাই বিপ্লবের পর আওয়ামী লীগের পতন হলেও অধিকাংশ গ্যাংয়ের নেতৃত্ব এখনো ছাত্রলীগের হাতে রয়েছে।
পুলিশ সদর দপ্তরের মুখপাত্র এআইজি এ এইচ এম শাহাদাত হোসাইন বলেন, সদস্য শনাক্তে গোয়েন্দা নজরদারি ও নিয়মিত অভিযান জোরদার করা হয়েছে এবং অস্ত্র, মাদক ও অপরাধে সম্পৃক্ততার তথ্য যাচাই চলছে। পুলিশ গ্যাং সদস্যদের পাশাপাশি নেপথ্যের গডফাদার বা রাজনৈতিক আশ্রয়দাতাদের বিরুদ্ধেও আইনি পদক্ষেপের কথা জানিয়েছে। টহল, বিট পুলিশিং এবং অভিভাবকদের নিয়ে উঠান বৈঠকের মাধ্যমে প্রতিরোধমূলক কার্যক্রমও চালানো হচ্ছে।